• ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ত্রিমাত্রিক প্রস্তুতি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ২২:০২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বরিশালে পুলিশ, তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, ব্যাটালিয়ান রয়েছে সমন্বিত এ প্রস্তুতিতে। শুধু তাই নয় বিশেষ প্রস্তুতিতে থাকবে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। ভোটের মাঠে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ, নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে আসা-যাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক থাকবে। এনিয়ে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ভোটের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ পুরোমাত্রায় প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্পটে পৌছাতে মাত্র কয়েক মিনিটই প্রয়োজন হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্রকরে নাশকতা কিংবা সংহিসতা ঘটার আগেই আমরা রুখে দিতে পারবো। এদিকে ২৪ ডিসেম্বর থেকে পহেলা জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনাবাহিনী। প্রতি জেলায় সেনাবাহিনীর একটি টিম থাকবে। রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাইলে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমের সদস্যরা প্রয়োজনে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। নির্বাচনের আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, মেট্রোপলিটন এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে থাকবে আরো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। এব্যাপারে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মোশাররফ হোসেন বলেন, নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। শুধু তাই নয় আমরা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিয়গুলোও আমলে নিয়ে অধিক আন্তরিকতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। সুত্রে আরো জানা গেছে, নির্বাচন দপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোট কেন্দ্রের পাহাড়ায় মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশসহ মোট ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবে। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৪ জন। ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোট গ্রহণের দুদিন আগে এবং ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিনসহ চারদিন মাঠে থাকবেন। আনসার সদস্যরা ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে মাঠে থাকবে পরের দিন পর্যন্ত। বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও থানাসমূহে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। তারা রিটার্নিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারের চাহিদার ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে থাকবে। অন্যদিকে র‌্যাব স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে। নির্বাচনী সামগ্রী আনা-নেয়া, নির্বাচন কার্যালয়সমূহের নিরাপত্তা, ভোট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি রক্ষার্থে জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট গ্রহণের আগে-পরে সব মিলিয়ে মোট সাত দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিশেষ বাজেটও রয়েছে বলে নির্বাচন দপ্তর সুত্রে জানা গেছে।