বরগুনা প্রতিনিধি ॥
বরগুনার আলোচিত রিফার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে একটি কবিতা লিখেছেন জৈনিক এক ব্যাক্তি। তিনি কবিতাটি লিখে সামাজিক যোগাযোগর মাধ্যম ফেইসবুকে পোষ্ট করেন। কবিতাটি হবহু তুলে ধরা হলোঃ
নষ্ট প্রেমে কষ্ট বেশি
নয়ন ছিলো বাবার বাবা
তার এলাকার মাথা,
করতো অন্যায় দিন দুপুরে
মাথায় দিয়ে ছাতা।
বাসতো নয়ন অনেক ভালো
নাম ছিলো তার মিন্নি,
অনেক আশা ছিলো বুকে
করবে তাকে গিন্নি।
সে আশাতে মিন্নির সাথে
করতো প্রেমের খেলা,
হাসি ঠাট্টা আড্ডা দিয়ে
কাটতো সারা বেলা।
হঠাৎ করে মিন্নির সাথে
রিফাতের হয় বিয়ে,
খাঁচার পাখি মিন্নিকে যে
রিফাত গেলো নিয়ে।
বিয়ের পরে মিন্নির সাথে
হলে বন্ডের দেখা,
চলার পথে দিতো বাধা
বলতো কথা ব্যাকা।
এরি মাঝে রিফাত মিন্নির
চলছে সংসার ভালো,
রিফাতের ঘর করলো মিন্নি
চাঁদের মতো আলো।
হঠাৎ একদিন মিন্নি বলে
রিফাত তোমায় বলি,
কলেজ যাওয়ার পথটা আমি
অনেক কষ্টে চলি।
আসা যাওয়ার সঙ্গি তুমি
হলে আমার সাথে,
নয়ন কিছু বলতো না আর
ভালো হতো তাতে।
বউয়ের সম্মান রাখতে রিফাত
যেতো তাহার সাথে,
নষ্ট ছেলের কথা থেকে
বউটারে বাঁচাতে।
এই সব দেখে নয়ন বন্ডের
মাথা হলো নষ্ট,
প্রেমিকাকে অন্যের সাথে
দেখে লাগতো কষ্ট।
ভাবলো একদিন করবো তাকে
এই পৃথিবী ছাড়া,
মিন্নি কারো হবে না’তো
শুধু আমার ছাড়া।
চলার পথে দিন দুপুরে
নয়ন হঠাৎ করে,
মিন্নি এবং রিফাত কে
এক সাথে যে ধরে।
কথা বলার মাঝে নয়ন
হাতে রাম দা নিয়ে,
রাস্তার উপর কোপ যে দিলো
রিফাত কে সে গিয়ে।
ইচ্ছা মতো কোপ দিয়ে যে
নয়ন গেলো চলে,
রিফাত হলো চিরো বিদায়
জীবন গেলো ফলে।
দাবি সবার একটাই ছিলো
প্রশাসনের কাছে,
রিফাত হত্যার হত্যাকারি
প্রাণে নাহি বাঁচে।
রিফাত হত্যার কয়দিন পরে
বন্দুক যুদ্ধের মাঝে,
নয়ন বন্ডও কাফন পরে
সাজলো মরার সাজে।
হাজার হাজার মানুষ গেলো
দেখতে নয়নের লাশ,
চিরতরে বন্ধ হলো
খুনি নয়নের শ্বাস।
মিন্নি রইলো মিন্নির জায়গায়
নয়ন,রিফাত চলি,
লাভ কি হলো মিন্নির জন্য
দিয়ে জীবন বলি?
এখন কত রিফাত, নয়ন
আছে মিন্নির জন্য,
মিন্নি ঠিকে করবে সংসার
জীবন হবে ধন্য।
রিফাত, নয়ন, মিন্নির হতো
আছ তোমরা যারা,
থাকতে সময় ভালো হয়ে
যেতে পারো তারা।
না হয়’তো মরবে তোমরা
রিফাত, বন্ডের মত,
ইতিহাসে থাকবে লেখা
লক্ষ বছর শত।
নারী হলো কাঠের মতো
নিজে প্রথম জ্বলে,
তার আগুলে আস্তে আস্তে
পুরুষ জাতি গলে।
নারী হতে থেকো সবাই
অনেক বেশি দূরে,
অন্যের জীবন নষ্ট করে
নারী মধুর সুরে।