বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল॥ বরিশালে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়ার জেরে ষাটোর্ধ্ব শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের আট হাজার গ্রামে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটার পর পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমকে (২৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার বিকালে তিনি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে গ্রেপ্তার ফাতেমাকে আদালত কারাগারে পাঠান।
আজ শনিবার বিকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ওসি সনজিৎ চন্দ্র দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত বৃদ্ধা রুনু বেগম (৬২) আট হাজার গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী
কাউনিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ছেলে রেদওয়ান ঢাকায় পরিবহন চালক। শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে থাকতেন পুত্রবধূ ফাতেমা। সাংসারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসাও হয়েছে কয়েকবার।
নিহতের ছোট ছেলে কাওছার পেশকার জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। মা, ভাবি ও তার সন্তান ছিলেন।
কাওসার বলেন, মা ঘরের সামনে বসা ছিলেন। ভাবি সামনে থেকে যাওয়ার সময় মায়ের গায়ে পা লাগে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায় ভাবি মায়ের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
কাউনিয়া থানার ওসি সনজিৎ চন্দ্র নাথ বলছিলেন, ঘটনার পর খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযুক্ত পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কাওসার বাদী হয়ে সেদিন রাতেই হত্যা মামলা করেছেন।
তিনি জানান, শুক্রবার ফাতেমা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছে, ঝগড়ার সময় শাশুড়ি রুনু বেগমকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন তিনি।
ওসি বলেন, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর ফাতেমাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি শুক্রবার নিহত রুনু বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।