• ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১লা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আমতলীতে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে রাজমিস্ত্রীসহ দুই জনের মৃত

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত জুন ৩, ২০২৬, ১৪:৪২ অপরাহ্ণ
আমতলীতে সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে রাজমিস্ত্রীসহ দুই জনের মৃত

???????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

আমতলী প্রতিনিধি॥ আমতলী পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডে বাসিন্দা আমতলী বন্দর হোসাইনয়া ফাজিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইউসুফ এর নির্মানাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাঙ্কের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে জাহিদুল ইসলাম হাওলাদার (৪২) নামে এক রাজমিস্ত্রী ও তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে জাফর হাওলাদার (৪৫) নামে এক ওয়ার্কশপ মালিকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় এঘটনা ঘটে। নির্মানাধীন ভবনের মালিক আমতলী বন্দর হোসাইনয়া ফাজিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইউসুফ ঘটনার পর আত্মগোপনে রয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার কওে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনার মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত জাহিদুল হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে। এবং ওয়ার্কশপ মালিক জাফর হাওলাদার চাওড়া ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের মৃত ইউনুছ হাওলাদারের ছেলে।

জানা গেছে, আমতলী আমতলী বন্দর হোসাইনয়া ফাজিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইউসুফ এর নির্মানাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রীর কাজ করছেন হলদিয়া ইউনিয়নের হলদিয়া গ্রামের আজিজ হাওলাদারের ছেলে মো. জাহিদুল হাওলাদার (৪২)।

গত ১৩ মে ভবনের মাটির নীচে একটি সেপটিক ট্যাঙ্কের ঢালাই করেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় জাহিদুল ওই সেপটিক ট্যাঙ্কের সেন্টারিং খোলার জন্য ভিতরে প্রবেশ করেন। প্রবেশ করার কিছুক্ষনের মধ্যে ভিতরে তার গোঙ্গানির আওয়াজ শুনতে পেয়ে তাকে উদ্ধারের জন্য ট্যাঙ্কির ভিতরে নামেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত জাফর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্ক শপের মালিক মো. জাফর হোসেন হওলাদার (৪৫)।

ভিতরে প্রবেশ করার পর সেও অচেতন হয়ে পরেন। খবর পেয়ে প্রতিবেশী মশিউর রহমান আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জাফর ও জাহিদুলকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। নির্মানিাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাঙ্কে দুই জনের মৃত্যুর পর ভবন মালিক মাওলানা মো. ইউসুফ আত্মগোপনের চলে যান। তাকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার মোইবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিস এর ওয়ার হাউজ ইন্সপেক্টও মো. হানিফ বলেন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল উপস্থিত হয়ে ট্যাঙ্কি ভেঙ্গে জাহিদুল ও জাফরকে উদ্ধার কওে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

আমতলী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক লুনা বিনতে হক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে ট্যাঙ্কির ভিতরে কার্বন মনোঅক্সাইড বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাদের মৃত হতে পারে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনার মর্গে পাঠানো হয়েছে।