• ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

অবহেলিত সন্ত্রাসের জনপদকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মডেলে রুপান্তরে সফল এমপি শাওন

admin
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০১৯, ২০:৪৭ অপরাহ্ণ
অবহেলিত সন্ত্রাসের জনপদকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মডেলে রুপান্তরে সফল এমপি শাওন

আরশাদ মামুন লালমোহন ॥
এক সময়ের অবহেলিত সন্ত্রাসের জনপদ সংসদীয় আসন ১১৭ ভোলা-৩ (লালমোহন তজুমুদ্দিন)। যে আসনটিতে সাধারণ মানুষের সেবাতো দূরে থাক এলাকার উন্নয়ন ছিলো স্বপ্নের অতীত। তৎকালীন বিএনপি দলীয় সাংসদ মেজর হাফিজ আসনটিকে সন্ত্রাসের অভ্যায়রন্যতে পরিনত করেন।

২০১০ সালের ২৪ এপ্রিল উপ নির্বাচনে প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বর্তমান তিনবারের বিজয়ী আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।

যিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে নিজের মেধা দক্ষতা আপ্রাণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সল্প সময়ে আসনটিকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মডেল আসনে পরিনত করেন। বিশেষ করে

গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত সহজ সরল। এদের আহামরি কোন চাহিদা নেই। একটু কাছে এসে একটু মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়াটাই তারা বিশাল কিছু মনে করে। এটুকু করতেই একসময় জনপ্রতিনিধিদের নিকট কার্পণ্য! ছিলো। গরীব এ সকল মানুষগুলোর কাছে আসতেই যেন তৎকালীন সাংসদদের লজ্জাবোধ হতো।

অথচ জননেতা এমপি শাওন এসব স্বার্থবাজদের ধীক্কার ই জানাননি ক্ষোভের সাথে বলেন তৎকালীন সাংসদ তথা এসব মানুষরুপী পশুদের যারা সাধারণ মানুষের ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়ে নিজেকে জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি মনে করেন অথচ তাদের বিপদে-আপদে কোন খোঁজখবর রাখেন না। ধীক্ক! এসব জনপ্রতিনিধির লেবাসধারী লুটেরাদের।

এদিকে কথায় নয় কাজে নিজের যোগ্যতার প্রমান বারবার দিচ্ছেন এমপি শাওন।

যেখানে বিগত দিনের কোন এমপি/মন্ত্রীকে সাধারন জনগন স্বচক্ষে দেখেননি। সেখানে এমপি শাওন প্রতিনিয়ত এভাবেই সাধারণ জনগনের বুকে টেন নেন। এভাবে এ বৃদ্ধ লোকটির কাছে আসতেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

আর বলতে থাকেন মহান আল্লাহ যেন এমপি শাওনকে আমাদের মাঝে অনেকদিন বাচিঁয়ে রাখেন। শুধু এমপি শাওন নিজে নন পুরো পরিবারটি এ আসনের জনগনের মাথার মুকুটে পরিনত হয়েছেন কর্মগুনেই।