• ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৫ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল॥ ‘এডিস মশা রুখি, ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালের সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা : আমাদের করণীয় ও দায়িত্ব’ শীর্ষক এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির শুরুতে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে চৌমাথা এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরে শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আখতারুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মেহবুবা আলম ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মাইনুল ইসলাম সগির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মো. আখতারুজ্জামান খান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব নয়, এটি সবার সামাজিক দায়িত্ব। বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজেদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের মানুষকেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করতে হবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার অভ্যাসকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক নাইমা জান্নাত। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে নজর রাখতে হবে। সামান্য সচেতনতাও বড় ধরনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।

প্রভাষক মো. ইউসুফ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর হাফেজা বেগম।

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর হাফেজা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের পরিবার নয়, পুরো সমাজের সচেতনতার দূত হিসেবে কাজ করতে পারে। তাদের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা প্রতিটি পরিবারে পৌঁছে দিতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ। জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি নিজেদের নিরাপদ রাখার পাশাপাশি অন্যদের সচেতন করতেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।