• ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

বরিশালে ৫ গ্রামের মানুষের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৭:২৫ অপরাহ্ণ
বরিশালে ৫ গ্রামের মানুষের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল॥ বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদী ইউনিয়নে পাঁচ গ্রামের ২০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো। এতে সবচেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের। চরাদী ইউনিয়নের চরাদী ও ছাগলদী দুই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে হলতা খাল।

হলতা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন, চরাদী, হলতা, স্বন্তোসদী, মকিমাবাদ, দক্ষিণ চরাদী ৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সেতু না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে।  বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, অসুস্থ রোগীর জন এটি ভয়ংকর জীবন ঝুঁকি।

স্থানীয়রা জানায়, হালতা খালের ওপর এই সাঁকোটি প্রায় ১০০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রতিবছর সাঁকোটি মেরামত করা হয়। বাঁশ আর সুপারি গাছ দিয়ে নির্মাণ করা সাঁকোটি এখন বিভিন্ন স্থান ভেঙে নড়বড়ে হয়ে গেছে। যেকোনো সময় খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা রয়েছে।

বিষয়টি বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এইখানে একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সাঁকোটির স্থানে একটি সেতু নির্মাণ করে পাঁচ গ্রামের মানুষের জন ভোগান্তি নিরসন করার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে ছাগলদি নেছারিয়া দাখিল মাদরাসা, আতাহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছাগলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীসহ হলতা বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হয়।

ছাগলদি নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র ইমন জানান, বাঁশের সাঁকো পার হয়ে মাদরাসায় আসার সময় খালে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলাম। সাঁকোর বাঁশ পেটে ঢুকে আমার একটা কিডনি ড্যামেজ হয়ে গেছে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. হাসনাইন আহমেদ জানান, সরেজমিনে পরিদর্শন করে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।