• ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায়

ববি শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৯:৩১ অপরাহ্ণ
ববি শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল॥ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বর্তমানে তিনি শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর তিনি জেলহাজতে ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুসারে তাঁকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়েছে, বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের কথাও আলোচনা হয়েছিল। পরে ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে একটি বাসায় ডেকে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পরবর্তীতে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পুলিশের নথিতে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো বিচারাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি জানান, ফৌজদারি মামলার তদন্ত ও বিচার সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আদালতের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগকারী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মামলাটি বিচারাধীন থাকায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।