বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল॥ হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরধরে নাতির লাথিতে আহত নানি ইয়ারুন নেছা (৬৫) বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামে।
এর আগে রোববার বিকেলে উপজেলার পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইয়ারুন নেছাকে মারধর করা হয়। ইয়ারুন নেছা ওই গ্রামের রূপচাঁন মাঝির স্ত্রী। অভিযুক্ত মেহেদী হাসান (১৮) তার (ইয়ারুন নেছা) মেয়ের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়ারুন নেছা ও তার নাতি মেহেদী হাসানের পরিবারের আলাদা দুটি হাঁস ছিল। তারা পাশাপাশি বাড়িতে থাকেন। রোববার বিকেলে মেহেদী তার হাঁস খুঁজে না পেয়ে নানির হাঁসটিকে নিজের বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দুইজনের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়।
একপর্যায়ে ইয়ারুন নেছার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে নাতিকে আঘাত করেন। পরে মেহেদী লাথি মারলে ইয়ারুন নেছা মাটিতে পরে অচেতন হয়ে পরেন।
স্বজনরা ইয়ারুনকে সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়
নিহত নারীর বড় ছেলে সোহরাব মাঝি বলেন, সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার মায়ের এমন পরিণতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি আরও বলেন, নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।