স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ ধর্মীয় মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সোমবার (১২ আগস্ট) বরিশালসহ সারাদেশে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। এছাড়া কোরবানির এ ঈদে পোশাক কেনাকাটায় তেমন আগ্রহ না থাকলেও ভিড় রয়েছে টুপি, জায়নামাজ, তাসবিহ আর আতর দোকানে।
বরিশালের গির্জা মহল্লা মসজিদ মার্কেট, চক বাজার, মহসিন মার্কেট, সিটি মার্কেট এবং নগরীর বিভিন্ন প্রধান সড়কের ফুটপাতসহ বরিশালের বিভিন্ন দোকানে আতর টুপিসহ বিক্রি হচ্ছে নানা পণ্য। বেচাকেনা চলবে ঈদের নামাজের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত।
বরিশালের গির্জা মহল্লা এলাকার কশাই জামে মসজিদ মার্কেট এবং মসজিদের আশেপাশের ফুটপাতে প্রায় অর্ধ শতাধিক দোকানে টুপি-জায়নামাজ, তাসবিহ, মেসওয়াক, আতর-সুরমা বিক্রি করা হচ্ছে। নানা দামের আতর। রয়েছে নামেও বৈচিত্র্য। আগর, হাটকরা উদ, মেশক আম্বার, রোজ আইটেম, জান্নাতুল ফেরদৌস বিভিন্ন নামের আতর বিক্রি হচ্ছে। নামের সঙ্গে এস পণ্যের দামেও রয়েছে বৈচিত্র্য।
কশাই জামে মসজিদ মার্কেটের এক দোকানি জানান, সারা বছরই আতর বিক্রি করেন। তবে দুই ঈদের আগে বেচাকেনা বেড়ে যায়। কোরবানিরর ঈদে মানুষ গরু কেনা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকে। এর পাশাপাশি গত তিনদিন ধরে আতর টুপির বাজার ক্রেতা সমাগম বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এবার বিক্রিও ভালো হচ্ছে। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছোট-বড় শিশিতে আতর বিক্রি করছি। দেশি-বিদেশি টুপি রয়েছে ২০ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত। ১০০ থেকে ছয় হাজার টাকা দামের জায়নামাজ আছে। তসবিহ বিক্রি করছি ২০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকায়।
নগরীর গির্জা মহল্লার ফুটপাতে আতর-টুপি বিক্রেতা রহিম জানান, ঈদের নামাজ পড়তে অনেকে নতুন টুপি ও আতর কিনছেন। গত তিন-চারদিন ধরে বিক্রি ভালো হচ্ছে। ১০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার দামের বিভিন্ন টুপি বিক্রি করছি। আর আতর বিক্রি করছি ৩০ টাকা ৬০০ টাকা। ৮০ থেকে দেড়শ টাকার টুপি বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঈদের উপলক্ষে বিক্রি কিছুটা বাড়ছে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত বেচাকেনা করব।
টুপি কিনতে আসা ফায়জুল নামের এক ক্রেতা জানান, কাল (সোমবার) কোরবানির ঈদ। ছেলেকে নিয়ে সকালে জামাতে ঈদের নামাজ পড়ব। তাই দু’জনের জন্য দুটি নতুন টুপি কিনলাম।