এস.এন পলাশ ॥ বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের কঠুরাকাঠী ও মাখরকাঠী মৌজার ১৫০ শতাংশের অধিক জমি প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় ব্যহত হচ্ছে সেচ কাজ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা। ফলে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে ২ শতাধিক কৃষক। অনিশ্চয়তার কবলে রয়েছে কয়েক হেক্টর জমির চাষাবাদ। পাশাপাশি খালে একাধিক বাঁধ দিয়ে পারিবারিক রাস্তা নির্মান করায় খালের নমুনা রয়েছে কিন্তু পানি নেই। সরজমিন অনুসন্ধানে জানাগেছে, কঠুরাকাঠী ও মাখরকাঠী মৌজায় ১৫০ শতাংশের উপর রেকর্ডিও হালুটে জমি এখন স্থানীয় প্রভাবশালী জালাল মিয়া, শাহিন মিয়া, দেলোয়ার, মনির তালুকদারসহ ১০/১২ জনের দখলে। দখল কাজে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে চলে চাঁদাবাজি। নমুনা হিসেবে সরজমিনে অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, দেলোয়ার হোসেন কঠুরাকাঠী মৌজায় জমি কেনেন। আর সরকারি জমিতে রাস্তা করে দেওয়ার চুক্তি নেয় ৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সিকদার ও সাবেক মেম্বর আবুল বাশারের ভাগ্নে দুলাল হাওলাদার। ২ লাখ টাকার বিনিময়ে সরকারি জমিতে রাস্তা বাঁধে তারা। একইভাবে বিলিন হয়ে যাচ্ছে হালুটে জমি। অপরদিকে কঠুরাকাঠীতে পানি চলাচলের জন্য খাল থাকলেও এখন রয়েছে শুধু নমুনা। কঠুরাকাঠীতে খাঁ বাড়ির সামনে পুরো খাল আটকে নির্মান করা হয়েছে পারিবারিক রাস্তা। একই এলাকায় এভাবে আরো ২টি রাস্তা দেখা গেছে। একাধিক কৃষক জানান, পানি চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় বোরো খেত শুকিয়ে যাচ্ছে। দখলকারীরা প্রভাবশালী বিধায় প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকী শুনতে হয়। এর প্রতিকার না হলে একসময় কৃষিকাজ বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, কৃষক ভাইদের উচিত হবে উপজেলা চেয়ারম্যান কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেয়া। সেক্ষেত্রে আমরা সর্বাত্মক সুপারিশ করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ূন কবির জানান, অভিযোগ পেলে যাথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।