• ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের পাশে হিন্দু বৌধ, খ্রিস্টান সবার অবদান আছে….ওবায়দুল কাদের

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত মার্চ ১৬, ২০২৪, ১৬:৫৯ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের পাশে হিন্দু বৌধ, খ্রিস্টান সবার অবদান আছে….ওবায়দুল কাদের

স্বপন কুমার ঢালী: মাইনরিটি ভাবনাটাই একটা দাসত্বের শিকল। এই দাসত্বের শিকল ভেঙে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা মন মানসিকতায় যদি ইনফেওরিটি কমপ্লেক্সে ভুগেন, মাইনরিটি ভাবনাটাই একটা দাসত্বের শিকল।

এই দাসত্বের শিকল ভেঙে ফেলতে হবে। মুসলমানের ভোটের চেয়ে আপনার ভোটের কি মূল্য কম? কোন পার্থক্য কি আছে? তাহলে কেন নিজেকে মাইনরিটি ভাববেন? এই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানদের পাশে হিন্দু বৌধ, খ্রিস্টান সবার অবদান আছে। কারো অবদান কম নয়। ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পদ, ধর্মীয় মন্দির এই সব স্পর্শকাতর বিষয়ে তাদের মনে কষ্ট দেন, মন ভেঙ্গে ফেলেন এই সব লোক রাজনৈতিক পরিচয়ে যদিও থাকেন তাদের আসল পরিচয় দুর্বৃত্ত। এরাই হিন্দুদের বাড়ি দখল করে।

মন্দির ভাংচুর করে। এরা আমাদের সকলের অভিন্ন শত্রু। এদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ করতে হবে।এর কোনো বিকল্প নেই। এই বাংলাদেশে ৭৫ থেকে একুশ বছর কারা শাসন করেছিলো। এই একুশ বছর প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে যে বৈরিতা সৃষ্টি করেছিলো, তৈরি করেছিলো সে কারণেই আমাদের দীর্ঘ দিনের সমস্যা দ্বিপাক্ষিক ভাবে আলোচনা করে সমাধান করা যায়নি। সম্পর্ক যদি ভাল থাকে তাহলে আলোচনার টেবিলে যে কোন জটিল সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারি, সমাধান করতে পারি। যেমন সীমান্ত সমস্যা বাস্তবায়ন, সিটমহল বাস্তবায়ন।

সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. রানা দাশগুপ্ত প্রমুখ। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিকের সভাপতিত্বে সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার।