আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামে শুক্রবার গভীর রাতে বিরোধীয় জমির দখল নিতে বাধা দেওয়ায় খাদিজা বেগম (৪৫) নামে একজন নারীসহ ২ জনকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম এবং ঘরে হামলার করে ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানাগেছে, বরগুনার তলতলী উপজেলার গাবতলী গ্রামের দেলোয়ার খাঁন ও আইয়ুব আলী ফরাজীর মধ্যে ৬৬ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধীয় ওই জমি দখলে নিতে প্রতিপক্ষ অইয়ূব আলীর নেতৃত্বে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় ১০-১২ জন মিলে ঘর তুলতে যায়। এসময় দেলোয়ার হোসেন এর স্ত্রী খাদিজা বেগম (৪৫)বাধা দিলে আইয়ূব আলী ফরাজী, মামুন ফরাজী, বাদশা ফরাজী ও আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রাসী বহিনী ধারালো দা লাঠি নিয়ে হামলা করে। হামলার সময় দায়ের কোপে খাদিজা বেগম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
এসময় তার দেবর রমজান খান (৫৫) ভাবীকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও পিটিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সন্ত্রাসীরা। এক পর্যায়ে তারা দেলোয়ার হোসেন খান এর বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত খাদিজা ও রমজান খানকে ওই রাতেই স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন। দেলোয়ার হোসেন খান অভিযোগ করে বলেন, আইয়ুব আলী ফরাজী আমার জমি দখলে নিতে চাইলে আমি বাধা দেই। এসময় আমার স্ত্রী খাদিজা বেগম এবং আমার ভাই রমজান খানকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। এবং তারা আমার ঘর ভাংচুর আহত খাদিজা বেগম বলেন, আইয়ূব ফরাজী, মামুন ফরাজী, আব্দুর রহমানসহ ১০-১২ জন মিলে আমাকে কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে। এবং তারা ঘর ভাংচুর করেছে। অভিযুক্ত আইয়ুব আলী ফরাজী ঘর ভাংচুর ও হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমাকে ফাসানোর জন্য ্ধসঢ়; অভিযোগ আনা হয়েছে। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।