• ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৪ঠা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বেতাগী উপজেলা পরিষদ পুকুর পাড় ও নারিকেল গাছ

admin
প্রকাশিত জুলাই ২৫, ২০১৯, ১৮:১২ অপরাহ্ণ
সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বেতাগী উপজেলা পরিষদ পুকুর পাড় ও নারিকেল গাছ

স্বপন কুমার ঢালী , বেতাগী ॥

বেতাগীতে উপজেলা পরিষদের পুকুর পাড়ের শোভাবর্ধনকারী নারিকেল গাছগুলো দিনদিন হারিয়ে যাচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের, হারাচ্ছে সৌন্দার্য ও অর্থ। এমনকি পুকুর পাড়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটিও ভাঙ্গনের কবলে পরেছে। সংরক্ষণে কেউই এগিয়ে আসছেনা এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সময় পুকুর পাড়ের ৩০ টিরও বেশি ছোট বড় নারিকেল ও অন্যান্য প্রজাতির গাছ মাটির অভাবে পুকুরে উপড়ে পরেছে।

জানা গেছে, উপজেলার পরিষদ চত্ত্বরে কেন্দ্র বিন্দুতে পাকিস্তানী শাসন আমলে এক একর জমির উপর সরকারি উদ্যোগে এ পুকুরটি খনন ও নারিকেলসহ নানা প্রজাতির গাছ রোপন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে পাড় সংরক্ষণের অভাবে নারিকেল, খেজুর, চাম্বল, আম গাছসহ পুকুরে নামার সিঁড়ি ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা চরমভাবে ভাঙ্গনের কবলে পরে পুকুরের গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এখানের নির্মল বাতাসের জন্য প্রতিদিন অনেক মানুষ পুকুরের পাড়ে অবসর সময় কাটান। তাদের একজন মো. মনিরুল ইসলাম বলেন,‘ পৌরশহরের মানুষের শান্ত পরিবেশে সময় কাটানোর একমাত্র যায়গাটিও রুদ্ধ হয়ে আসছে।’ স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পুকুরের পাড় সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনে বছরের পর বছর ধরে প্রকল্প গ্রহনের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এদিকে পুকুর পাড়ের নারিকেল গাছের নারিকেল বিক্রয় করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হত। বর্তমানে গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় নারিকেল বিক্রয় করে বর্তমানে ১২ হাজার টাকায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজিব আহসান বলেন,‘ উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে শীঘ্রই পুকুরের পাড় সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।