• ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

মুখে মাস্ক পড়ে দলবেঁধে আড্ডা দিচ্ছেন ও গল্প করছেন ভোলার যুবকরা

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত এপ্রিল ২১, ২০২০, ২১:২৮ অপরাহ্ণ
মুখে মাস্ক পড়ে দলবেঁধে আড্ডা দিচ্ছেন ও গল্প করছেন ভোলার যুবকরা

আকতারুল ইসলাম আকাশ,ভোলা ॥ ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অলিগলি পাড়া-মহল্লায় ও রাস্তাঘাটে রাত ৮টার পর থেকেই জমিয়ে আড্ডা চলে। একে অপরের কাঁধে হাত রেখে গল্প করে যাচ্ছেন যুবকরা।

 

আড্ডার মধ্যেও কেউ কেউ মুখে মাস্ক পরে আছেন কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন না।

 

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বিভিন্ন অলিগলি পাড়া-মহল্লায় ও রাস্তাঘাটে এ দৃশ্য দেখা যায়।

 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে বলেছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এলে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে সুস্থ মানুষের শরীরে। এজন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এবং ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে।

 

এ নিয়ম মানলেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত হবে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশ। সংক্রমণ রোধের প্রধানতম পন্থা ঘরে অবস্থান করা। কিন্তু অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, ঘরে মন বসছে না মানুষের। তাই জমিয়ে আড্ডা চলছে।

 

 

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এ বিষয়ে কথা হয় ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের থানায় গাড়ি টহল দিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়’। আপনারা ঘরে থাকুন, জরুরি কাজ ছাড়া বের হবেন না। তারপরও কিছু লোকজন ঘর থেকে বের হয়ে আড্ডা দিচ্ছেন।

 

বিশেষ করে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া বাঘার হাট বাজারের পাঙ্গাশিয়া খালের পাড়ে, বিশ্বরোড হাওলাদার বাজার সংলগ্ন ধানসিঁড়ি রাস্তায়, পরাণগঞ্জ বাজার সংলগ্ন কলেজ ও স্কুল মাঠে, জনতা বাজার সংলগ্ন ওবায়দুল হক বাবুল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ও রাজাপুর ইউনিয়নের তহসিলদার ব্রিজ সংলগ্ন কালাম হোসেনের দোকানের আশপাশের ফাঁকা জায়গায় এমন দৃশ্য দেখা যায়।

 

তহসিলদার ব্রিজ সংলগ্ন কালামের দোকানের কাছে আড্ডার বিষয়ে আবুল বশার নামে এক সচেতন নাগরিক জানান, করোনা ভাইরাস যেন ছড়িয়ে না পড়ে এ জন্য দফায় দফায় সরকার থেকে বলা হচ্ছে, সবাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না। বাসায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। যেখানে মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ করে দিয়েছে অল্পকিছু মুসল্লি ছাড়া।

 

অথচ আমাদের এখানে (কালামের দোকানে) দেখা যায় সকালে মানুষজন আগের মতোই ঘোরাফেরা করেন। সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এখানে যুবকরা আড্ডা দেন।

 

ওই নাগরিকের দাবি ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এ জায়গার বিষয়ে একাধিকবার ফাঁড়িতে ফোন করা হলেও পুলিশ তা কর্ণপাত করেননি।

 

তবে সচেতন মহলের দাবি, যুবক তরুণ ও সকল বয়সের মানুষ নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন না হলে ভয়ংকর বিপদের মুখে পড়তে পারে পুরো জাতি।