• ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সর্ব মহলে প্রশংসার ঝড়

বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী ভোলার ইনচার্জ মোক্তার হোসেন

admin
প্রকাশিত জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৭:৫২ অপরাহ্ণ
বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী ভোলার ইনচার্জ মোক্তার হোসেন

আকতারুল ইসলাম আকাশ, ভোলা ॥ ভোলার ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোক্তার হোসেনের ব্যবহারে মুগ্ধ ভোলার ইলিশাবাসি। কিছু কিছু মানুষের সুন্দর হাসি ও মার্জিত ব্যবহারে শুধু মানুষের মন নয়, পাষাণের হৃদয়ও গলে যায়। যে সুন্দর ব্যবহার একেবারেই সাদামাটা,আপন করে নেয়ার মত নির্মল মায়াভরা। যে মার্জিত মিষ্টি ব্যবহার করা মানুষটির মুখের দিকে তাকালে মনে হয়- এ তো আমারই আপনজন, আমার মনের মতন। যাঁদের এমন প্রাণখোলা হাসি, মার্জিত আচরন তাদের দিকে তাকালে, মন যতই খারাপ থাকুক না কেন, তা নিমেষেই ভালো হয়ে যায়। হ্যাঁ, এমন দুঃখ-কষ্ট ভোলানো ইনচার্জ মোক্তার হোসেনের সুন্দর ব্যবহার দেখছেন ইলিশাবাসি। তার অমায়িক ব্যবহারে বেশি মুগ্ধ হচ্ছে মানুষ। তিনি যেন জনসাধারণেরই একজন। নেই অহংকার, নেই ক্ষমতার দাম্ভিকতা।তার মার্জিত ব্যবহারই বলে দেয়, পুলিশ জনগনের বন্ধু! সাধারন জনগন মনে করছেন, ইনচার্জ মোক্তার হোসেন ইলিশাবাসির জন্য আশীর্বাদ। সদালাপী, হাস্যোজ্জ্বল, বিনয়ী, বন্ধুসুলভ, আদর্শবান এই মানুষটি অল্প সময়ে ইলিশার সকল সংবাদকর্মীরও প্রিয় পাত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

তার বন্ধুসুলভ সুন্দর আচরনে সকল সংবাদকর্মীরাও আপ্লুত। তিনি প্রায় বছর আগে ইলিশা ফাঁড়িতে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি ভোলা জেলার সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।

ইলিশা ফাঁড়িতে যোগদানের পরই তিনি সকল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ইলিশার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গুলোতে মহড়া ও বিট পুলিশিং সভা করেছেন। পুলিশ বাহিনীর সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তিনি মাদক নির্মুলে তার কঠোর অবস্থান ও জিরো টলারেন্সে সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হন। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত যে কারো বিরুদ্ধে তিনি নূন্যতম আপোষ করেননি। এই জন্য তিনি গত বৃহস্পতিবার পুলিশ লাইন ড্রীল সেডএ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভায় সদ্য যোগদান কৃত পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট তুলে দেন তার হাতে।

মাদক জব্দ, মামলা নিষ্পত্তি ও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ও বরিশাল রেঞ্জের ভোলায় শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী হিসেবে ইনচার্জ মোক্তার হোসেন এই সম্মাননা পান।

বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে তার দৃঢ় অবস্থান সকলের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। সামাজিক,জায়গা জমি,ব্যক্তিগত বিরোধজনিত সমস্যাগুলো সামাজিক শালিষীর মাধ্যমেই সমাধানের চেষ্টা করছেন। মানবাধিকার লঙ্গন জনিত যে কোন সংবাদ তার নিকট আসা মাত্রই তিনি ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

মানবিকতায় অসহায় মানুষের আইনী সাহায্যর শেষ ভরসাস্থল হয়ে উঠছেন তিনি। অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে তিনি আশা ভরসার শেষ ভরসাস্থল হয়ে উঠছেন তিনি। তার কার্যক্রমে সাধারন মানুষ মুগ্ধ হয়ে বলছেন, এমন মানবিক হৃদয়সম্পন্ন, বিশাল হৃদয়ের মানুষ তাঁরা ইলিশা ফাঁড়িতে কখনো পাননি৷ ইলিশার সাধারন জনগনের দাবী তিনি যেন তার চাকুরীর শেষ সময় পর্যন্ত ইলিশায় সেবা প্রদান করেন।