স্টাফ রিপোর্টার ॥
বরিশাল নগরীর বাজার রোড এলাকার জামিয়া আরাবিয়া খাজা মঈন উদ্দিন মাদ্রাসায় ফ্যান দেয়াকে কেন্দ্র করে মাদ্রসার শিক্ষক ছাত্র ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে।
আজ সোমবার ১৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানায়, জামিয়া আরাবিয়া খাজা মঈন উদ্দিন মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে একটি মসজিদ রয়েছে যার জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা তহবিল ফান্ট। স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ জানান, কিছুদিন পূর্বে মাদ্রাসার জন্য কিছু সংখ্যাক ফ্যান স্থানীয়রা দান করে, কিন্তু মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষক শামসুল হক সেই ফ্যান নির্মাণাধীন মসজিদের তহবিল থেকে টাকা নিয়ে ফ্যান মসজিদে বিক্রি করে দেয় ।
বিষয়টি এতদিনে কেউ আচ করতে না পারলেও আজ মাগরিবের নামাজের সময় মসজিদে নতুন ফ্যান দেখে স্থানীয় মুসল্লিরা ইমাম সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, মাদ্রাসার হুজুরের থেকে কিনেছেন । পরবর্তীতে স্থানীয়রা এবিষয়ে মাদ্রাসা কমিটির কাছে জানতে চাইলে তারা কোনো সঠিক উত্তর দিতে না পারায় স্থানীয়রা ক্ষীপ্ত হয়, একপর্যায়ে মাদ্রাসার শিক্ষক শামসুল হক তাদেরকে কোনো কথার জবাব দিবে না বলে চলে যেতে বলেন ।
স্থানীয়রা যখন তার কথার কোনো কর্ণপাত না করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মাদ্রাসার ভিতর অবস্থান করলে। শামসুল হক নিজেকে রক্ষা করতে মাদ্রাসার ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে স্থানীয়দের উপর হামলা করতে উৎসাহিত করে । মাদ্রসার ছাত্ররা শামসুল হকের নেতৃত্বে স্থানীয়দের উপর অতর্কিত হামলা চালায় । একপর্যায়ে স্থানীদের সাথে ও মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে তুমুল সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় । পরবর্তীতে বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এসে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে ।
মাদ্রাসা ছাত্রদের হামলায় স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মনির শিকদার (৪০) এবং ইকবাল হোসেন বাপ্পি (৩২) দুই জন গুরতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে ভর্তি করে । ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে সহকারী পুলিশ কমিশনার(এসি কোতয়ালী) রাসেল আহম্মেদ। এবিষয় কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম পিপিএম জানান, ঘটনা শুনেছি অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।