নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভৈরব পাশা ইউনিয়নের ডাপর গ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন।
নিজেকে অনক বড় মাপের ইউপি সদস্য দাবী করে এলাকাকে বানিয়েছে দূর্নীতির আখড়া। নানা অনিময়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হয়েছে অনেকে। স্থানীয়রা জানান, ইউপি সদস্য আনোয়ারের হাত থেকে রক্ষা পায়নি আমাদের পঙ্গু, বয়স্ক, বিধবা ভাতাসহ সরকারের নানা সুবিধা। নিজের আখেড় গুছাতে সবসময় ব্যস্ত আনোয়ার মেম্বার। তারা আরো জানান, আমাদের বয়স্ক, বিধবা, পঙ্গু ভাতার ভাগা দিয়ে চলছে মেম্বার মামলা।
একাধিক মমালার আসামী হয়ে সেই টাকার যোগান দিতেই আমাদের পঙ্গু ভাতা আত্মসাত করেছে আনোয়ার মেম্বার। সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে নলছিটি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি চাঁদাবাজি মামলা হয় যাহার মামলা নং এমপি ১৫০। একই সালে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। যাহার মামলা নয় সি আর ০৩। ২০০৩ সালে একই এলাকায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়ে একটি মামলার আসামী হয় আনোয়ার মেম্বার।
নলছিটি থানায় মামলা দায়ের করা হয় যাহার নং ০৬, জিআর ১৪৫। ওই সালেই আরো একটি চাঁদাবাজি মামলায় আসামী হন মেম্বার আনোয়ার হোসেন। জানা গেছে ঝালকাঠি আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং এমপি ৫১৭।
২০১০ সালে নলছিটি থানায় আরো একটি মামলা দায়ের হয় মামলাবাজ আনোয়ারের বিরুদ্ধে। যাহার মামলা নং ২১ জিআর নং ৩৪। এসব মামএকটি চাঁদাবাজি মামলা হয় যাহার মামলা নং এমপি ১৫০।
একই সালে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অর্থের যোগান দিতেই পঙ্গুদের ভাতায় কালো চোখ দেয় এই মেম্বার। এতগুলো মামলা আসামী হয়েও বহাল তবিয়াত রয়েছে। জানা গেছে বরিশালের আদালতেও একটি চাঁদাবাজি মামলায় শ্রীঘরে গিয়েছিলেন তিনি।
সেই ঘটনায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এক দিন মজুরকে হত্যার হুমকি দেয় এই মেম্বার। থানায় সাধারন ডাইরি করে কোন মতে রেহাই পায় দিন মজুর দুলাল মল্লিক। যাহার সাধারন ডাইরি নং ৬৩৭। স্থানীয়রা জানান, দুলাল মল্লিক ও ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন এর পিতা খালেক সরদার একই ইটের ভাটায় কুড়ালীর কাজ করতেন।