• ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৪ঠা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

চরফ্যাশনে চাষাবাদ হচ্ছে কুচিয়া

admin
প্রকাশিত জুলাই ২৫, ২০১৯, ২০:৪৬ অপরাহ্ণ
চরফ্যাশনে চাষাবাদ হচ্ছে কুচিয়া

এম আমির হোসেন, চরফ্যাশন ॥ দেশের অর্থনীতিকে সাফল্য করতে এবং বেদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্যে চরফ্যাশনে চাষাবাদ হচ্ছে কুচিয়া চাষ। এতে রয়েছে কয়েকটি খামার। এর অর্থ যোগান দিচ্ছেন পল্লী উন্নয়ন সহায়ক ফাউন্ডেশন(পিকেএসএফ)। বাস্তবায়ন করছেন বে-সরকারি সংস্থা (এনজিও) পরিবার উন্নয়ণ সংস্থা(এফডিএ)। চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা ১০টি খামার। এলাকায় খামাদের মাধ্যমে চাষাবাদ করা হয় কুচিয়া। ২০১৮ সালে শুরু হয় চরফ্যাশনের কুচিয়া চাষাবাদ। বর্তমানে লাভজনক অবস্থানে থাকা কয়েকটি পরিবার এখন কুচিয়া চাষাবাদের প্রতি ঝুঁকতে শুরু করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহম্পতিবার সকালে সরেজমিন গিয়ে কয়েকটি কুচিয়া খামার পরিদর্শণ করে দেখা গেছে খামারি সকলেই হিন্দু সম্প্রদায়ের। তারা এই কুচিয়া চাষাবাদ করে খুবই আনন্দিত। ছেলে মেয়ে পরিবার পরিজন সকলেই খুবই আনন্দ উপভোগ করেছে। তারা বলেন, আমারা এ কুচিয়া ঢাকা রপ্তানী করি। সেখান থেকে দেশের বেশ কিছু উপ-জাতি রয়েছে তারা কুচিয়া খাচ্ছে। বাকী কুচিয়া বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।

কারিগরি সহয়তাকারী কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের দক্ষিণ আইচায় একটি কুচিয়া পল্লী হিসাবে একই স্থানে ১০টি থামার রয়েছে। ১০জন চাষী খামারের মাধ্যমে কুচিয়া চাষ করেছে। এই জন্যেই আমরা কুচিয়া পল্লী হিসাবে নাম করণ করেছি। কুচিয়া সাধারণত ছোট রেনু পোনা ও কেচোঁ খায়।

নজরুল নগরের কুচিয়া চাষী কমল কুলু জানান, এক শতাংশ খামার রয়েছে। আমি চাষাবাদের পর থেকে অনেক লাভবান হচ্ছি। এই খামারে চাষাবাদ করে ৫/৬মাসে ৩০/৪০হাজার টাকা আয় করি। যে পরিবার খরচ যা তা পুষিয়ে বর্তমানে ভাল অবস্থানে রয়েছি। সন্তানের লেখা পড়ার খরচ যোগিয়ে বেশ কিছু টাকা ব্যাংক রয়েছে।

পরিবার উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কামা উদ্দিন বলেন,আমরা পিকে এসএফ এর আর্থিক সহায়তা চরফ্যাশনে নতুন কিছু আবিস্কারের চেষ্টা করছি। ইতিপূর্বে সৌদি আরবের খেজুর পরিক্ষামূলক আমাদের ভাউন্ডারীতে লাগানো হয়েছে। গাছ গুলো বড় হতে শুরু করেছে। ট্যাংকের ভিতর উন্নত পদদ্ধিতে মাছ চাষ করা হচ্ছে। আরো কিছু নতুন প্রদদ্ধিতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। তা শিঘ্রই আমরা কর্মপরিকল্পা মধ্যে নেয়া হয়েছে।
ইতিপূর্বে এই বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার কুচিয়া চাষীদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্যে একাধিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এই সময় পরিবার উন্নয়ণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কামাল উ্িদ্দন, প্রকল্প সমন্বয়কারী শংকর দেবনাথ।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন,্আমি কুচিয়া খামার গুলো পরিদর্শন করছি। চাষীদেরকে উৎসাহিত করার জন্যে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তারা চাষাবাদ করে খুবই মজা পাচ্ছে। এই গুলো আমাদের দেশে খাওয়া যায়না তার জন্যে ধরে নেয়ার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। চাষীগন চাষাবাদ করে পাহাড়া দেয়ার প্রয়োজন হয়না।