বিডি ক্রাইম ডেস্ক॥ ভোলায় ফরিদা বেগম (৮০) নামে এক বৃদ্ধ মহিলার বসতবাড়ি ও জমি দখলের চেষ্টায় মেহেদি নামে এক যুবক তাকে পিটিয়ে আহত করেছে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ভোলা পৌড়সভার ৪ নং ওয়ার্ডের উত্তর চরনোয়াবাদে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা ফরিদা বেগমকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় আজ বুধবার বিকেলে তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হতে পারে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।
এ ঘটনার ভোলা সদর থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে প্রভাবশালীদের চাপ থাকায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়নি।
হাসপাতালে পরিদর্শন করে জানা যায়, ভোলা পৌড়সভার ৪ নং ওয়ার্ডের নূসরা ফকিরের কন্যা ফরিদা বেগম তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মা হলেও নাতনিকে নিয়ে মায়ের দেওয়া ১০ শতাংশ জমির উপর থাকেন। মেয়েদের বিয়ে দেয়া হয়েছে। তার এক ছেলে বিজিবি সদস্য।
বাড়িতে কেউ না থাকায় তার চাচাতো ভাই শহিদ, ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে লোকমান ও রুহুল আমিন কৌশলে তাকে বাড়ি থেকে বিতারিত করতে দীর্ঘদিন ধরে মেহেদিকে দিয়ে চেষ্টা চালায়। মঙ্গলবার লোকমানের ছেলে মেহেদি বৃদ্ধ ফরিদা বেগমের ওপর হামলা করে। এ সময় প্রতিবেশীরা বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে এবং বিজিবি সদস্য ছেলেকে খবর দিলে তিনি ভোলায় এসে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এলাকাবাসী জানান, ফরিদা বেগমের ওপর হামলা চলছেই। কমিশনার এর বিচার করতে পারছে না। এমনকি এখন আর কোনো কমিশনার লোকমান ও শহিদ গংদের বিচার করতে চাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ওসি মো. ছগির মিঞ্চা বলেন, একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন আসামিকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। বৃদ্ধাকে পেটানোর ঘটনায় কোনো তদবিরে লাভ হবে না।
এদিকে পাঁচ আসামিদের তিনজন পুলিশ হেফাজতে ও বাকিরা পলাতক থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।