• ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নগরীর দর্শনীয় পুকুরগুলো ময়লার স্তুপে পরিণত

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ৫, ২০১৯, ১৪:১৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ময়লা আগ্রাসনের কারনে নগরীর দর্শনীয় ৭ টি জলাধার বছর জুড়ে থাকে দূষিত। পরিবেশ আইন প্রয়োগ না থাকায় ঐতিহ্যবাহী ও প্রচীন এই জলাধারগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরী করছে। এ ব্যাপারে বিসিসি’র পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রধান ডাঃ রবিউল ইসলাম বলেন, দর্শনার্থীদের জমায়েত বেশি হওয়া এ পুকুরগুলোতে দূষন রয়েছে এবং প্রায় প্রতিদিন আমাদের কর্মীরা পরিষ্কার করতে গিয়ে বাড়তি পেরেশানীর সম্মুখীন হয়। দূষনের অন্যতম কারন হলো পুকুর গুলোর চারপাশে ভাসমান দোকান ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আমরা তাদেরকে সচেতন করছি। এতেও কাজ হচ্ছে না। এখন প্রয়োজনে আইনী প্রতিক্রিয়ায় এ দূষন বন্ধ করবো। দর্শনীয় এ পুকুর গুলোর চারপাশের বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা বলেন, পুকুরগুলো বর্ষাকালেও দূষনের কবলে পড়ে। শুকনো মৌসুমে পুকুরগুলোর পানি পঁচে যায়। এতে চারপাশে বাতাসে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে জনজীবনে ভোগান্তির সৃষ্টি করে। শুধু তাই নয়, পুকুর গুলোর পাশে এসে দাড়ালে প্রশান্তির পরিবর্তে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। সরেজমিন সূত্রে হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা সৌন্দর্য বর্ধন পুকুরটির পশ্চিম, দক্ষিন, উত্তর ও পূর্ব পাশে গড়ে ওঠা স্থায়ী ও ভাসমান দোকান তাদের ব্যবসায়ী পন্যের উচ্ছিষ্ঠাংশ অনায়াসে পুকুর নিক্ষেপ করে। যা পরক্ষনে দূষিত হয় পুকুরের পানি। এদিকে দর্শনার্থীদের উচ্ছিষ্ঠ ফালানোর ডাষ্টবিন না থাকায় বাধ্য হয়ে পুকুরে নিক্ষেপ করে পলিথিন, টিস্যু, কাগজের ঠোঙ্গা, ডাবের খোসা, বিরানীর প্যাকেট সহ অন্যান্য বর্জ্য ফেলায়। অপরদিকে আমতলা পানির ট্যাংকি সংলগ্ন স্বাধিনতা পার্কের পুকুর, জেলা পরিষদ পুকুর, রাখাল বাবুর পুকুর, বিবির পুকুর, টিভির পুকুর ও কাটপট্টি পুকুর সহ দর্শনীয় জলাধারগুলো একই ভাবে ময়লা আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, দর্শনীয় এ পুকুরগুলোর চারপাশে হাটা চলার পথ ও বসার স্থান রয়েছে। প্রতিদিন সকাল বিকাল ও রাত ৯ টা পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সি দর্শনার্থীর পদচারনায় মুকরিত থাকে। ঐতিহ্যবাহী নগরীর এ পুকুর গুলোর প্রায় শতবর্ষী।