• ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

শীতে বিপর্যস্ত আমতলী-তালতলীর মানুষের জীবন যাত্রা

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৮:০৬ অপরাহ্ণ
শীতে বিপর্যস্ত আমতলী-তালতলীর মানুষের জীবন যাত্রা

আমতলী প্রতিনিধি॥ রবি ও সোমবার দু’দিন ধরে আকাশ কুয়াশায় ঢাকা ছিল। সূর্যের মুখ দেখা যায়নি সাথে রয়েছে হিমবাহ।

সোমবার দুপুরে স্বল্প সময়ে গুরি গুরি বৃষ্টিতে শীতের মাত্রা আরো বেড়ে যাওয়ায় আমতলী ও তালতলীর মানুষের জীবন যাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে।

শীতের তীব্রতায় দিনমজুরা পরেছে মহাবিপাকে। সোমবার সকাল থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত উপজেলার হলদিয়া, চওড়া, কুকুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে খেত খামারে দিনমজুরের সংখ্যা কমে গেছে।

শহরে অটো ও ত্রিহুইলার যান্ত্রিক যান মাহেন্দ্রা ও বাসেরও যাত্রী সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। জরুরী কাজ ছাড়া কেউ শীতের ভয়ে ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।

কুকুয়া গ্রামের দিনমজুর আলিফ হোসেন বলেন, বাবা শীতে ঘওে গোনে বাইর অইতে পারি না আবার কাম হরমু ক্যামনে। হলদিয়া গ্রামের চানমিয়া বলেন, কাম কইর‌্যা খায়োন লাগে।

কাম না হরলে হে দিন না খাইয়া থাকতে অয়। শীতে মোগো অইছে এহন মরন দশা। অটো চালক হানিফ বলেন, মোগো রিকশায় এহন বেমী যাই নাই। মানুষ শীতে ঘরের বাইর অয় না।

সমুদ্র তীরবর্তী তালতলী উপজেলারও একই অবস্থা। সকিনা গ্রামের জেলে মাহাবুব বলেন, শীতের লইগ্যা সাগওে জাল বাইতে যাইতে পারি না।

মাছ ধরতে না পারলে গুরা গারা লইয়া না খাইয়া থাহা লাগে। শীত আর ঘন কুয়াশার মধ্যে সোমবার সকাল ১১টার সময় আমতলী ও তালতলী উপজেলায় তুষারপাতের মত গুরি গুরি বৃষ্টি হয়েছে।

এতে শীতের মাত্রা দুপুরের পর আরো বেড়ে গেছে। আমতলী ও তালতলী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল মাসুম বলেন আমতলীতে ১হাজার ৭শ’ এবং তালতলী উপজেলা ১ হাজার ৭শ’সহ মোট ৩হাজার ৪শ’ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, শীতার্থ দরিদ্র মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলো দরিদ্রদের মধ্যে বিতরনের কাজ শুরু হয়েছে।