• ৯ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৬শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

রুদ্রনীল হেরে গিয়েও তৃণমূলকে শুভেচ্ছা

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত মে ৩, ২০২১, ১৫:৩৬ অপরাহ্ণ
রুদ্রনীল হেরে গিয়েও তৃণমূলকে শুভেচ্ছা

বিনোদন ডেস্ক॥ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটু বেশিই স্বপ্ন দেখে ফেলেছিলেন জনতা পার্টির (বিজেপি) তারকাপ্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ।

নির্বাচনী প্রচার ও মিডিয়ার সাক্ষাৎকারে বার বার বলে এসেছেন, তিনি তৃণমূলের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করবেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ভবানীপুর কেন্দ্রে রুদ্রনীল নিজেই পরাজিত হয়েছেন। রোববার (২ মে) ভোট গণনা শেষে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন বিজেপির এই তারকা প্রার্থী।

ফেসবুক পোস্টে রুদ্রনীল ভবানীপুরের বিজয়ী দল তৃণমূল কংগ্রেসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একুশের ভোটযুদ্ধ শেষ। মানুষের রায়ে আশাতীত সাফল্যে প্রথম স্থানে তৃণমূল এবং দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি। সিপিএম ও কংগ্রেস শূন্য। জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘যারা জয়ী হলেন না তাদের পরিশ্রমকে কুর্নিশ। সব রাজনৈতিক দলের ভোটার, সমর্থক ও কর্মীদের ভালোবাসা জানাই। নির্বাচনে হার জিত থাকেই। ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে আমায় হারিয়ে জয়ী হয়েছেন শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাকে অভিনন্দন।’

 

বিজেপির তারকা প্রার্থী রুদ্রনীলের দুই বন্ধু বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন। তাদের সম্পর্কে বলেন, ‘সদ্য রাজনীতিতে পা দিয়েই জয়ী হয়েছেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাজ চক্রবর্তী ও কাঞ্চন মল্লিক। দুজনকেই শুভেচ্ছা।’

তিনি গভীর আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘জিতুক বাংলার সাধারণ মানুষের সত্যিকারের উন্নয়ন, জিতুক বাংলার বেকারদের চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন, জিতুক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামো ও পুলিশের শিরদাঁড়া। জিতুক বাংলার শরীর ও মন।’

রুদ্রনীলের ফেসবুক পোস্টটি কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এখন অবধি ওই পোস্ট ৪৩১ জন শেয়ার করেছেন। অনেকে রুদ্রনীলের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। কেউ মন্তব্য করেছেন, রুদ্রনীল বোধহয় আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন। বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস আগে রুদ্রনীল বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন তিনি হেরে যাবেন। তাই তিনি পালিয়ে গেছেন।