• ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ১০ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

যাদের ওপর প্রশান্তি ও রহমত নাজিল হয়

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩১, ২০২৪, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
যাদের ওপর প্রশান্তি ও রহমত নাজিল হয়

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল ॥  দীনি ইলম শিক্ষা করা, আল্লাহর পরিচয়, ইমান ও ইসলামের বিধিবিধান সম্পর্কে জানা মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও আমল। জ্ঞান ছাড়া সঠিক পদ্ধতিতে যথাযথ আমল করা যায় না। যে পরিমাণ ইলম অর্জন না করলে ইমান ঝুঁকির মুখে পড়ে বা কোনো ফরজ-ওয়াজিব ইবাদত সঠিকভাবে করা যায় না, ওই পরিমাণ ইলম অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানদের ওপর ফরজ। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ইলম বা জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ (ইবনে মাজা: ২২৪)

মুসলমানদের প্রত্যেকটি এলাকায় কিছু সংখ্যক আলেম বা দীনি জ্ঞানে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করা ব্যক্তি থাকাও জরুরি। যেন সাধারণ মানুষ কোনো বিষয়ে সমস্যায় পড়লে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারে। বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে আলেম বা দীনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের প্রভূত মর্যাদা ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, যারা ইমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম দান করা হয়েছে আল্লাহ তাআলা তাদের মর্যাদা অনেক উঁচু করে দেন। (সুরা মুজাদালা: ১১) যে ইলম অর্জন করতে পেরেছে এবং সে অনুযায়ী বিচার-আচার করা ও মানুষকে শেখানোর তওফিক লাভ করেছে, তাকে হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈর্ষার উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আরেকটি হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন একদল মানুষ কোনো ঘরে সমবেত হয়ে কোরআন পাঠ করে এবং জ্ঞানচর্চা করে, তাদের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে স্বস্তি ও প্রশান্তি নাজিল হয়। আবু হোরায়রা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের জন্য কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার জান্নাতে প্রবেশ করার পথ সহজ করে দেন। যখন কোনো দল আল্লাহর ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে এবং জ্ঞানচর্চা করে, তাদের ওপর আল্লাহর তরফ থেকে স্বস্তি ও প্রশান্তি নাজিল হতে থাকে, আল্লাহর রহমত তাদেরকে ঢেকে নেয়, ফেরেশতারা তাদেরকে ঘিরে রাখে এবং আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের কাছে তাদের কথা উল্লেখ করেন। (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)