• ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

মুলাদীতে হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামীসহ গ্রেপ্তার

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩, ১৯:০১ অপরাহ্ণ
মুলাদীতে হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামীসহ গ্রেপ্তার

বরিশালের মুলাদীতে আবদুর রব হাওলাদার হত্যা মামলার প্রধান তিন আসামীসহ ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোর রাত পৌনে ৪টার দিকে হিজলা উপজেলার গৌরব্দী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কানীবগীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজের চৌধুরীর পরিত্যাক্ত ঘর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি পাইপগান, ৪টি ক্রিচ, ৩টি রামদা, ৬ রাউ- গুলিসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান ও হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়ের আহম্মেদের নেতৃত্বে দুই থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরকমিশনার গ্রামের মৃত আবুল কালাম ওরফে কলম সরদারের ছেলে কামাল সরদার (৪০) ও জামাল সরদার (৩৫), মুজাহার সরদারের ছেলে মানিক সরদার (৪২), ভোলা সদর উপজেলার চরমোনষা গ্রামের বশার মীরের ছেলে আলম মীর (৩৫), একই উপজেলার রামদাসপুর গ্রামের রত্তন বেপারীর ছেলে জুয়েল বেপারী (৩৫), মৃত মালেক সরদারের ছেলে মাসুম সরদার (২৬) কন্দ্রকপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান মাঝি (২২)। এদের মধ্যে কামাল সরদার, জামাল সরদার এবং মানিক সরদার মুলাদীর চরকমিশনার গ্রামের আবদুর রব হাওলাদার হত্যা মামলার আসামী। এ ছাড়া জুয়েল বেপারীর নামে হিজলা থানায় ডাকাতি মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, আসামিরা কানীবগীরচরে পরিত্যাক্ত ঘরের মধ্যে জোটবদ্ধ হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। অভিযানের সময় আসামিরা পুলিশের ওপর ৩ রাউ- গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলো।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, আবদুর রব হাওলাদার হত্যার পরে প্রধান আসামি কামাল সরদারসহ অন্যান্যরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করে। শুক্রবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোর রাতে কানীবগীরচরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অস্ত্র ও ডাকাতি প্রস্তুতি, পুলিশের ওপর হামলা অভিযোগে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। রোববার আদালতে হাজির করে রিমা-ের আবেদন করা হবে।

অপরদিকে, আসামীদের গ্রেপ্তারের সংবাদ পেয়ে উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের তিন শতাধিক মানুষ থানার সামনে জড়ো হয় এবং আসামীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।