ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি ॥ পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় গর্ভবর্তী নারী সহ গুরুত্বর আহত-৩ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ৪নং ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের মৃতঃ সফিজ উদ্দিন মোল্লার পুত্র মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা এর সাথে একই বাড়ীর প্রতিপক্ষ মোঃ তুহিন মোল্লা, মাহিন মোল্লা, মাহিত মোল্লা, পিতা-হাবিব মোল্লা, হাবিব মোল্লা, পিতা-মৃত: রফিজ উদ্দিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, পিতা-আ: গফুর মোল্লা, গফুর মোল্লা, পিতা-মৃত: আবুল মোল্লা, হাসিব মোল্লা, সোহেল মোল্লা, পিতা-গফুর মোল্লা, নাছরিন বেগম, স্বামী- হাবিব মোল্লা এদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত জের ধরে বহুদিনের বিরোধ চলে আসছিল।
এরকই এক পর্যায় গত ২১-৮-১৯ তারিখ দুপুর অনু: ১ ঘটিকায় প্রতিক্ষপক্ষগণ পরিকল্পিত ভাবে সুপারী ব্যবসায়ী মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লার বসত ঘরের সম্মুখ উঠানে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে।
এসময় তুহিন মোল্লা সহ প্রতিপক্ষগণ এলোপাথারী ভাবে জাহাঙ্গীর মোল্লাকে মারপিট করতে থাকলে একপর্যায় তার ডাকচিৎকার সুনে তার ৪ মাসের আত্মসত্তা গৃহবধু তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে এতে সে গুরুত্বর জখম হয়। এ ঘটনার সময় জাহাঙ্গীর মোল্লার কাছে সুপারি বিক্রয়ের নগদ একান্ন হাজার সাতশত টাকা ছিল তাহা প্রতিপক্ষ তুহিন মোল্লা নিয়া যায় এবং তার স্ত্রীর গলায় একটি স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল তাহাও প্রতিপক্ষ মাহিন মোল্লা জোর পূর্বক ছিনিয়া নিয়ে যায়। যাহার অনু: মূল্য: চব্বিশ হাজার টাকা। এছাড়াও তার স্ত্রীর শ্লীলতাহানী ঘটায় এসময় ডাক চিৎকারে আঃ সত্তার মোল্লা এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে প্রতিপক্ষগণ গুরুত্বর জখম করেন।
এসময় ডাক তাদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষগণ পরে তাদেরকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে তার স্বজনদের সহায়তায় মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা ও তার স্ত্রী আসমা বেগম এবং ছত্তার মোল্লা (৬০) কে ভান্ডারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয় ।
পরে আঃ সত্তার মোল্লার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে ভান্ডারিয়া হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করেন। এঘটনায় ভান্ডারিয়া থানায় একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।