• ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৬ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

বরিশাল চরমোনাই ফেরিঘাটের ক্ষুদ্রব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে উচ্ছেদের জন্য

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে-গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত মে ২০, ২০২৪, ১৬:৩৩ অপরাহ্ণ
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে-গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

শামীম আহমেদ ॥ বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ফেরিঘাট এলাকাস্থ সড়ক ও জনপথ দপ্তরের পরিত্যাক্ত জমিতে দীর্ঘদিন যাবত এক শ্রেনির অসহায় মানুষ লোন ও দারদেনা করে ক্ষুদ্র ব্যবসা বানিজ্য করে আসছিল। টাকা ও জনবল সহ নিজ সন্তান কিশোর গ্যাং বাহিনীর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে উক্তস্থানের ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার জন্য বিভিন্ন হুমকি-ধামকি সহ ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুঠিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগে ফেরিঘাট বাজার সমিতির পক্ষ থেকে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল সাব রেজিষ্ট্রাড অফিসের পিওন জাহাঙ্গীর চাপরাসি ও তার কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী সন্তানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। আজ সোমবার (২০)মে বেলা ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান লিখিতভাবে বক্তব্যতে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যতে আরিফুর রহমান বলেন,বিগত ১ মাস যাবত বরিশাল সাব রেজিষ্ট্রার্ড অফিসের পিওন ভূমিদস্যুখ্যাত জাহাঙ্গীর চাপরাসি সহ তার নিজ সন্তানদের নিয়ে দোকান ব্যবসা গুঠিয়ে নিয়ে জমি খালী করে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে। এসময় আরিফ আরো বলেন তাদের দোকানগুলো ফেরিঘাট সংলগ্ম নদীরপাড়ে সড়ক ও জনপথ দপ্তরের পরিত্যাক্ত জমি চরবদনা মৌজার দাগ নং-২৮১ সড়ক ও জনপথ দপ্তরের জমিতে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কাঠের ঘড় করে গত ১২ বছর যাবত ব্যবসার মাধ্যমে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন- যাপন করে আসছিল।

গত ১ মাস পূর্বে জাহাঙ্গীর চাপরাসি ওরফে জাহাঙ্গীর ভূইয়া পাশের ৩১৭ দাগের জমিটি ক্রয় করেন। ২৮১ নং দাগের সরকারী সড়ক ও জনপথ দপ্তরের খাস জমিতে থাকা ব্যবসায়ীদের পিছনে একটি ৫তলা ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেন। বর্তমানে জাহাঙ্গীর গং সদস্যরা জমি থেকে দোকান পাঠ সড়িয়ে না নিলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া সহ জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

 

এসময় আরো বলেন জাহাঙ্গীর চাপরাসি বলে বেড়াচ্ছে কোটি টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। প্রয়োজনে আরো ৫০ লক্ষ টাকা প্রশাসনের পিছনে ব্যয় ও ম্যানেজ করে ওদের উচ্ছে করে ছাড়বো। এখানে আমাদের প্রশ্ন আমরা টাকা খাটিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে ঠিকমত খেতে পারি না। সেখানে একজন পিওন কি করে কোটি টাকার জমি ক্রয় করে তার এত টাকা আয়ের উৎস্য কোথায়? এছাড়া জাহাঙ্গীরের দূর্নীতির বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ইলেক্টনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও সাব রেজিষ্ট্রার্ড অফিসে তার দূর্নীতি অপরাধ থেমে থাকেনি। এবিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হলেও অফিসার ইনচার্জ ওসি অভিেেযাগটি এ.এস.আই মিজানকে তদেেন্তর জন্য দায়ীত্ব দেন।

 

এব্যাপারে তদন্তকারী এ.এস.আই মিজানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা কাছে আঃ ছালাম হাওলাদারের একটি অভিযোগ আছে আমি বাদী ছলাম হাং ও পতিপক্ষ জাহাঙ্গীর চাপরাশিকে নিয়ে বসি তারা উভয়ে সঠিকভাবে কাগজ-পক্ষ দেখাতে ব্যার্থ হয়ে সময় নেয় যা এখনও তদন্তনাধীন আছে। এব্যাপারে জাহাঙ্গীর চাপরাসি ওরফে জাহাঙ্গীর ভূইয়ার মুঠোফোনে কয়েকবার রিং দেওয়া হলে অপরপ্রান্তে রিং হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সংবাদ সম্মেলেেন আরো উপস্থিত ছিলেন বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান রাসেল মোল্লা,মোঃ সাইফুর রহমান টিপু,মোঃ মোকলেস,মোঃ খবির খান,মোঃ মামুন হাওলাাদার ও জমি ভূক্তভোগী আঃ ছালাম হাওলাদার প্রমুখ।