• ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

বাবুগঞ্জে ধর্ষন চেষ্টার অভিযুক্ত হৃদয়ের লাগাম টানবে কে!

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১, ১৯:১৫ অপরাহ্ণ
বাবুগঞ্জে ধর্ষন চেষ্টার অভিযুক্ত হৃদয়ের লাগাম টানবে কে!

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : মাদক, নাড়ি কেঙ্কোরিসহ একাধিক অপরাধ করেও বার বার পার পেয়ে যাচ্ছে বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হিজলার পোল এলাকার আবুল সিকদারের ছেলে হৃদয় সিকদার (২৬)। গত ১৫ দিনের মধ্যে এয়ারপোর্ট থানায় হৃদয় ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ২টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী।

২৪ সেপ্টেম্বর দায়েরকৃত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে যানাযায়, ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৩টায় হৃদয় মেঘিয়া সিকদার পাড়া এলাকার রায়হান সিকদারের অনউপস্থিতিতে ঘরের জানালা ভেঙ্গে তার স্ত্রী (২২) এর রুমে প্রবেশ করে ।

এসময় রায়হান সিকদারের স্ত্রী বাতি জ্বালিয়ে হৃদয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাক চিৎকার করলে এক পর্যায় হৃদয় তাকে ঝাপটে ধরে ।

পরে ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীর ছুটে আসলে অভিযুক্ত হৃদয় পালিয়ে যায়। এঘটনায় ১৪ই সেপ্টেম্বর এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ স্থানীয় ইউপি সদস্য বশির সিকদারের অনুরোধে ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে একটি শালিস বৈঠকের আয়োজন করে।

কিন্ত ইউপি সদস্য বশির সিকদারের বাড়িতে নির্ধারিত দিন হৃদয়কে উপস্থিত না করে একটি মহল বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করে। ওই দিন সন্ধ্যায় শালিস না হওয়ায় ইউপি সদস্য বশিরের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথে রায়হান সিকদারের স্ত্রীর উপর আবারো অতর্কিত হামলা চালায় হৃদয়ের ভাই অন্তর সিকদার(১৮) ও তাদের সহযোগীরা।

রায়হান সিকদার ও ভুক্তভোগী স্ত্রী বলেন, আমাদের বাড়ি গিয়ে ও মোবাইল ফোনে হুমকি ও গালিগালাজ করেছে লম্পট হৃদয় । তার ভাই অন্তর মারধর করেছে।

পুলিশে অভিযোগ করায় তারা এখন ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকা ছাড়া ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। হৃদয় এলাকার একজন চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী । সবসময় মাদক সেবন করে স্থানীয় নিরিহ লোকদেও হয়রানি করে থাকে।

স্থানীরা জানায় , বাবা আবুল সিকাদার ও এসকেন সিকাদারের আস্কারায় হৃদয় ও অন্তর বিপদগামী হয়েছে। হৃদয় এর আগে স্থানীয় একটি স্কুল পরুয়া মেয়ে অপহরন করে। পরে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে শেষ রক্ষা হয়। এছাড়াও গাঁজা সেবনের ছবিও ভাইরাল হয়েছে একবার।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বশির সিকদার বলেন, আমি বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংশার চেষ্টা করেছি। কিন্ত মিমাংশা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, উক্ত ঘটনায় ১৪ই সেপ্টেম্বর ও ২৪ সেপ্টেম্বর পর পর দুইটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছে। ঘটনা স্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেলে মামালা গ্রহন করা হবে।