নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল নগরীর রুপাতলীতে শ্রমিক নামধারী কথিত তিন যুবক মাহিন্দ্রা গাড়ি থেকে চাদাঁবাজ্বি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে এ কার্য্যক্রম চালিয়ে আসলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসছে না তারা।
ফলে চাঁদা দিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে মাহিন্দ্রা চালকদের। সূত্রে জানা যায়, লাবু, ইমন. রুবেল নামের এই তিনজন চাঁদাবাজি সঙ্গে জড়িত রয়েছে।
তবে এদের নিয়ন্ত্রক দাতা স্থানীয় একটি মহুল। এ কারনে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে এ অপরাধ কর্মকান্ড করে যেতে দ্বিধাবোদ করছে না ওই সকল চাঁদাবাজরা।
নাম প্রকাশে অনি”ছুক একাধীক আলফা চালক জানিয়েছে, রুপাতলী পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল রুটের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম বেড়ে যায়।
প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ঝালকাঠি – ভান্ডারিয়া ও নলছিটি মোল্লার হাট থেকে কুয়াকাটা রুটে প্রায় বিশটির মতো মাহিন্দ্রা চলাচল করে।
এই দু রুটের চাঁদা তোলার দায়িত্বে রয়েছে ইমন, রুবেল ও লাবু। এদের মধ্যে রাজাপুর ও ভান্ডারিয়া রুটে চলাচলরত মাইন্দ্রা পার সিরিয়াল গাড়ি প্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা তুলে ইমন।
একইভাবে নলছিটি মোল্লার হাট এবং কুয়াকাটা রুটে চলাচল গাড়িগুলো দিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা তোলা তুলে লাবু ও রুবেল। তারা আরো বলেন, গভীর রাত পযর্ন্ত এ কার্য্যক্রম চালাতে গিয়ে বিভিন্ন সময় ডিউটিরত থানা পুলিশের ঝুট- ঝামেলায় পরলে নিজেদের মাইন্দ্রা শ্রমিক পরিচয় দেয়ার পাশে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্ব পালনের অজুহাত দিয়ে পার পেয়ে যায় ইমন গংরা।
তাদের এহেন অবস্থা দেখে কোন কিছু না বলে নিরবে ধার্য্যকৃত চাঁদার টাকা দিয়ে গন্তব্য স্থানে যাত্রী নিয়ে ছুটে যায় নিরীহ আলফা চালকারা। সূত্রানুযায়ী জানা গেছে, প্রতিদিন ওই দুই রুট থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়েছে।
আয়ের চাঁদার টাকার একাংশ পাচ্ছেন এলাকার একটি সংশ্লিষ্ট মহুলের বাবুরা। এ বিষয়ে বরিশাল মাহিন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক পরিমল দাসের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ নরুল ইসলাম বলেন, যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে তাদের বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।