• ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনাম
ভোলায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মঠবাড়িয়ায় চঞ্চল্যকর সোবাহান পেয়াদা হত্যা মামলার ২ পালাতক আসামী গ্রেফতার রাজাপুরে মাঠজুড়ে হলুদের সমারোহ, কৃষকের মুখে হাসি বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৩জন বহিস্কার ভোলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ বেদে নারী আটক বরিশাল কারাগারে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করেন নবাগত জেলা প্রশাসক কলাপাড়ায় বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী দিদার উদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার গলাচিপায় রামনাবাদ নদীর উপরে প্রস্তাবিত ব্রিজের জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাদা আমাদেরকে কথায় নয় কাজে বড় হতে হবে: ডিসি ট্রাফিক জাকির হোসেন আমাদের উদ্দেশ্য মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে আইন শৃংখলা ঠিক রাখতে হবে: ডিসি খাইরুল আলম

বরিশালে বিএনপির সভাপতিসহ চার জনের কারাদণ্ড

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২১, ১৬:৫৩ অপরাহ্ণ
বরিশালে বিএনপির সভাপতিসহ চার জনের কারাদণ্ড

বিডি ক্রাইম ডেস্ক ॥ ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানের শীষে ভোট দিতে বাধ্য করার প্রতিবাদ করায় আটকে রেখে মারধর ও ভাঙ্গচুর চালিয়ে ক্ষতিসাধনের অপরাধে জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মেদ মাসুদসহ চারজনকে একবছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

 

পাশাপাশি প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার সকালে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুদ উপজেলার পূর্ব দাড়িয়াল এলাকার মৃত মোক্তার হোসেনের পুত্র। এছাড়া অন্যরা হলেন-একই এলাকার মোখলেস পালোয়ানের পুত্র মনির পালোয়ান, মৃত তৈয়ব আলী হাওলাদারের পুত্র সানু হাওলাদার ও সমির আহম্মেদের পুত্র ফয়সাল খান। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মাসুদ ও ফয়সাল উপস্থিত থাকলেও মনির ও সানু অনুপস্থিত ছিলেন।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২১ মার্চ রাতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ তার দলবল নিয়ে দক্ষিণ কাজলাকাঠি এলাকার বিভিন্ন ভোটারদের ধানের শীষে ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর আনারস মার্কা ছাড়া অন্যকোনো মার্কায় ভোট না দিতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

 

এমন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের বাঁধা দিতে আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান খান লিটনসহ অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে মাসুদ ও তার সহযোগিরা তাদের মারধর করে। এ সময় তারা মনিরুজ্জামানকে স্থানীয় মোতাহর খানের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

 

পরে তারা মনিরুজ্জামানের বহরের মোটরসাইকেল ভাঙ্গচুর করে প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। এসময় তাদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে মাসুদসহ অন্যান্যরা ধানের শীষে ও স্বতন্ত্র প্রার্থীকে আনারস মার্কায় ভোট না দিলে খুন, জখম ও বাড়িতে আগুন দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করে ১৫/২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও পটকা বিস্ফোরন ঘটায়।

 

এ ঘটনায় ওইদিনই বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই বছরের ৩ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লুৎফর রহমান আদালতে চার্জশিট জমা দেন। আদালতের বিচারক ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার শেষকার্যদিবসে উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেন।