সংবাদ শিরোনাম
 করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসছে যুক্তরাজ্যে !  পুলিশ ফাঁড়ির জমি ফিরিয়ে নিলেন দাতা : প্রতিবাদে সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির সভা  বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির মৃত্যুতে জেলা আ’লীগের শোক  করোনায় আক্রান্ত এমপি পঙ্কজ নাথ  মঠবাড়িয়ায় সমিতির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ  বানারীপাড়ায় জাকির স্যারের মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত   বাউফলে ৭ রাউন্ড গুলিসহ জলদস্যু আটক  বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে মোটর সাইকেলের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছি- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • বরিশাল |১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

বরিশালে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

২:১১ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ বরিশাল, বরিশাল বিভাগ, লিড স্লাইড, শিরোনাম

অনলাইন ::

বাবাকে হত্যার অপরাধে ঘাতক ছেলেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশালের জেলা ও দায়রা জজ রফিকুল ইসলাম ওই রায় দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী হেদায়েতুন্নবী ওরফে জাকির জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম রেজাউল মোল্লা। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলার আস্কর কালীবাড়ী এলাকার নিহত সত্তার মোল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন সত্তারের ২য় স্ত্রী রুমা বেগম।

মামলায় তিনি বলেন, তার স্বামীর আগের স্ত্রীর রেজাউল সহ ৩ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে। সত্তার তাকে বিয়ে করায় তার পুত্র সন্তান হয়। ঘটনার সময় সেই ছেলের বয়স ছিল ৭ মাস। তাকে বিয়ে করার পর রেজাউল মেনে নিতে পারেনি। সে প্রায়ই বাবা ও সৎ মাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। তার বাবা মুখ বুঝে সহ্য করত। ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার পরে রেজাউল গিয়ে তার বাবাকে ডাকতে থাকে।

সত্তার দরজা খুলে সামনে এলেই দা দিয়ে এলোপাতাড়ি বাবাকে কোপাতে থাকে। রুমা ধরার চেষ্টা করলে তাকে হত্যার জন্য উদ্যত হয়। সে বাহিরে গিয়ে ডাকচিৎকার দিলে লোকজন ছুটে আসলে রেজাউল পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে সত্তারকে আগৈলঝাড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে রুমা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

আগৈলঝাড়া থানার এস আই মোশরফ হোসেন ২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রেজাউলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন। আদালত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ কে এম জাহাঙ্গীর ও আসামী পক্ষ আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. হুমায়ুন কবির মাসউদ। রায় ঘোষণার পর আসামীকে জেল হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।