• ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনাম
ভোলায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মঠবাড়িয়ায় চঞ্চল্যকর সোবাহান পেয়াদা হত্যা মামলার ২ পালাতক আসামী গ্রেফতার রাজাপুরে মাঠজুড়ে হলুদের সমারোহ, কৃষকের মুখে হাসি বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৩জন বহিস্কার ভোলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ বেদে নারী আটক বরিশাল কারাগারে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করেন নবাগত জেলা প্রশাসক কলাপাড়ায় বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী দিদার উদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার গলাচিপায় রামনাবাদ নদীর উপরে প্রস্তাবিত ব্রিজের জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাদা আমাদেরকে কথায় নয় কাজে বড় হতে হবে: ডিসি ট্রাফিক জাকির হোসেন আমাদের উদ্দেশ্য মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে আইন শৃংখলা ঠিক রাখতে হবে: ডিসি খাইরুল আলম

ফাহাদ হত্যার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত জানুয়ারি ১১, ২০২১, ১৬:০৪ অপরাহ্ণ
ফাহাদ হত্যার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেনের সাক্ষ্যগহণ হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে তার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

তবে মায়ের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে এদিন তিনি সময়ের প্রার্থনা করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৯ জানুয়ারি তার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত। মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

দুইজন তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এই মামলার সাক্ষ্য শেষ হবে বলে জানিয়েছেন ওই আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঁঞা।

গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর চার্জশিটভুক্ত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়। এরপর ৫ অক্টোবর আবরারের বাবা বরকতউল্লাহর জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলার সাক্ষ্য শুরু হয়।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের কিছু উশৃঙ্খল নেতাকর্মীর হাতে নির্দয় পিটুনির শিকার হয়ে মারা যান বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ। ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা বরকতউল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা করেন।

গত বছর ১৩ নভেম্বর মামলায় ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

মামলার তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারা হলেন-বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, শাখা ছাত্রলীগ সদস্য মুনতাসির আল জেমি, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত এবং এস এম মাহমুদ সেতু। পরে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু ছাড়া বাকি সবাই এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার আট আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা হলেন- ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মনিরুজ্জামান মনির ও এএসএম নাজমুস সাদাত।

মোর্শেদ অমত্য ইসলাম নামে পলাতক এক আসামি পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

তাই এখন পলাতক রয়েছেন আর তিন আসামি। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এর মধ্যে মোস্তবা রাফিদের নাম এজাহারে ছিল না।