• ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২০শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

পটুয়াখালীতে স্কুলে নলকূপ বসাতে গিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস!

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত জুলাই ২৬, ২০২১, ১৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীতে স্কুলে নলকূপ বসাতে গিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস!

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল: গভীর নলকূপ (টিউবওয়েল) বসাতে গিয়ে ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক গ্যাস বের হওয়া শুরু হয়। নলকূপ বসানোর কাজ শেষ হলেও সোমবার পর্যন্ত গ্যাস বের হওয়া বন্ধ হয়নি বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ৪৭ নম্বর মধ্য চরগঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে চরগঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি দ্বিতল ভবনের সঙ্গে চারটি গভীর নলকূপ স্থাপন করবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

গত শুক্রবার সেই নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হয়। রোববার সকালে নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ করে চলে যান শ্রমিকরা।

স্থানীয়রা জানান, নতুন নলকূপের পানি কেমন উঠছে, তা দেখতে গেলে নলকূপের পাশ দিয়ে বুদবুদ শব্দ হচ্ছিল।

এতে স্থানীয় কয়েকজনের সন্দেহ হয়, তারা দিয়াশলাই ঠুকে দিলে সেখানে আগুন জলে ওঠে।

বিষয়টি জানাজানি হলে রাতে উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমায়।

রোববার রাতে ফেসবুকে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নলকূপের পাশের দুটি গর্ত দিয়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। তা দেখতে ভিড় করেছে উৎসুক জনতা।

মধ্য চরগঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল ফাহাত বলেন, শ্রমিকরা নলকূপ বসিয়ে চলে যাওয়ার পর বুদবুদ শব্দ হলে লোকজন সেখানে আগুন ধরালে জ্বলতে থাকে।

এখনও নলকূপের চারপাশ দিয়ে গ্যাস বের হচ্ছে। আগুন দিলেই জ্বলছে। রোববার রাত সাড়ে ৯টায় ওখানে অনেকেই কৌতুহলবশত আগুন জ্বলা দেখতে গিয়েছে। তবে বিষয়টি পরিদর্শনে এখনো ঘটনাস্থলে যায়নি কেউ।

সোমবার দুপুর ২টায় এ প্রতিবেদন পাঠানোর আগ পর্যন্ত অনবরত গ্যাস বের হওয়ায়র বিষয়টি নিশ্চিত করে মধ্য চরগঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, ২৫০ ফুট পাইপ বসানোর পর পাইপের মাথায় গ্যাস নির্গমন হতে দেখেন শ্রমিকরা।

পরে সাড়ে ৮০০ ফুট পাইপ বসিয়ে নলকূপ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করে। পানিও ঠিকঠাক উঠছে।

কিন্তু বালু ও মাটিচাপা দিলেও নলকূপের চারপাশ দিয়ে এখনো গ্যাস বের হচ্ছে। বিষয়টি আমি আমার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম সগীর বলেন, বিদ্যালয়ে নলকূপ বসানোর পর গ্যাস নির্গমনের বিষয়টি জানতে পেরেছি।

এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুল কবির ও উপসহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।