• ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৬ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি

নুরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২১ এপ্রিল

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত এপ্রিল ৪, ২০২১, ১৩:১৫ অপরাহ্ণ
নুরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২১ এপ্রিল

বিডি ক্রাইম ডেস্ক ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহায়তার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা পেছাল। পরবর্তী প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৪ এপ্রিল) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াছমিন আরা নতুন এ দিন ধার্য করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা থেকে ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী ভিপি নুরসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় এ মামলাটি করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি (২৩)।

একই বাদি ২১ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালী থানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আসামি করে আরেকটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ আরও পাঁচ জনকে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার মামলার এজাহার গ্রহণ করে কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নুর আলমকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এদিকে, ওই শিক্ষার্থীর ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতার মামলায় গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গত ১২ অক্টোবর তাদের প্রত্যেককে দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। বর্তমানে দুজন কারাগারে আছেন।

মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে দুটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে, আরেকটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে।

মামলায় ঘটনার দিনক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। স্থান উল্লেখ করা হয়েছে কোতোয়ালী থানা এলাকার সদরঘাট হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট।