নাসির উদ্দিন তানভীর, কলাপাড়া ॥ বয়ষ্কভাতার জন্য ঘুরলেও মেলেনি বয়স্ক ভাতা। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে বয়স ৯১ বছর হলেও বয়ষ্ক ভাতা জোটেনি শরীফ আলী মুন্সীর। দৈনিক দেশ জনপদ পত্রিকায় এমন খবর প্রকাশে সমাজসেবা অধিদফতর পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক শীলা রানীর নির্দেশে কলাপাড়া সমাজ সেবা অফিস থেকে শরীফ আলী মুন্সীর হাতে গতকাল বুধবার দুপুরে বয়ষ্কভাতার কার্ড হস্তান্তর করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম কার্ডটি হস্তান্তর করেন। এর আগে বঞ্চিত শরীফ আলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তিনি সমাজসেবা কলাপাড়া অফিসকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের আনিপাড়া গ্রামে বেড়িবাঁধের স্লোপ ঘেঁষা বড় ছেলের বসতঘরে আশ্রয় বৃদ্ধ মানুষটির। স্ত্রী নেই। ছেলে শ্রমজীবী থাকায় দিন চলছে চরম অনটনে। বয়ষ্কভাতার কার্ডটি পেয়ে মানুষটি মনে স্বস্তি ফিরে পেল। মানুষটি অন্তত চিকিৎসা সহায়তা কিছুটা হলেও এ ভাতায় মেটাতে পারবেন বলে দাবি করলেন। মানুষটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি। কলাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. আবদুস সালাম সংবাদকর্মীদের ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক সময় সবার খোঁজ নেওয়া সম্ভব হয় না। গণমাধ্যমের কারণে একজন বয়স্ক লোক সাহায্য ও সহযোগীতা পেল। কিছুদিনের মধ্য তিনি ভাতার টাকা তুলতে পারবে।