• ৯ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৬শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

ঝালকাঠিতে নিজ কর্মগুনে প্রসংশিত ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত মে ৪, ২০২১, ১৫:১৪ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠিতে নিজ কর্মগুনে প্রসংশিত ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ সারা দেশে যখন করোনার ২য় ঢেউ চলছে ঠিক তখন ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিভিন্ন অসহায় মানুষের মাঝে গোপনে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিয়ে বিরল দৃস্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার এইচ এম গিয়াস উদ্দিন।

এই খাদ্য সামগ্রী বিতরনে তোলা হয় কোন ছবি এমনকি কোন সংবাদমাধ্যমেও তা প্রকাশ করা হয় নি।

সমাজসেবাসহ বিভিন্ন কাজে অবদান রেখে ঝালকাঠির মানুষের কাছে প্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন ইঞ্জিনিয়ার এইচ এম গিয়াস উদ্দিন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের আগরবাড়ি গ্রামের কৃতি সন্তার ইঞ্জিনিয়ার এইচ এম গিয়াস উদ্দিন একাদারে একজন তরুণ সমাজসেবক, শিক্ষক ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাসন্ডা ইউনিয়ন তথা ঝালকাঠিবাসীকে সেবা করে যাচ্ছেন।

এইচ এম গিয়াস উদ্দিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনো শেষ করে শুরু করেন শিক্ষাগতা। তিনি বর্তমানে ঝালকাঠী ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনােলজিতে সুনামের সাথে শিক্ষাগতা করছেন।

এছাড়া তিনি কারিগরি শিক্ষা প্রত্যন্তঅঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দেয়ার লক্ষে বাসন্ডা কারিগরি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট স্থাপনের জন্য কাজ শুরু করেছেন, যা বর্তমানে নির্মানাধীন।

স্কুল জীবন থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তরুণ এই সমাজসেবক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাস করে এক সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত এইচ এম গিয়াস উদ্দিন বিভিন্ন সামাজিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি গত কয়েক বছর ধরে ধ্রুবতারা ইয়ূথ ডেভেলভমেন্ট ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ঝালকাঠি ফিরোজা আমু ক্লাব ও পাঠাগার এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

গিয়াস উদ্দিন মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও ঝালকাঠি নাগরিক ফোরামের কোষাধ্যক্ষ, জাতীয় দৈনিক ঢাকা টাইমস পত্রিকায় সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

বাসন্ডা ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা জানায়,‘এইচ এম গিয়াস উদ্দিন নিঃসন্দেহে একজন ভালো মনের মানুষ। নিজের অর্থ ব্যয় করে তিনি যেভাবে শিক্ষাক্ষেত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে যাচ্ছেন যা সত্যিই খুবই প্রশংসনীয়। তা মতো একজন তরুণ সমাজসেবক আমাদের এলাকায় জনপ্রতিনিধি হলে আমাদের এলাকায় অনেক উন্নয়ন হবে বলে মনে করছি।

তবে জনপ্রতিনিধি হওয়ার ব্যাপারে কোন আগ্রহ নেই জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার এইচ এম গিয়াস উদ্দিন এই প্রতিবেদককে বলেন,‘আমি কাজ করি জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য না সাধারন মানুষের সেবা করার জন্য। জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষকে সেবা করা যায়। আমি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মানুষের ভালোবাসা নিয়ে তাদের সেবা করে যেতে চাই।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি মানুষকে সহযোগীতা করি এটা দেখানোর কি আছে, তাই নিজের সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু মানুষের জন্য করতে পেরেছি এই করোনার মধ্যে তার একটি ছবিও তুলতে দেই নি।