চরফ্যাশনে শশীভূষন থানার ওসির রিরুদ্ধে মাদকের আসামী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

৫:০৫ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ বরিশাল বিভাগ, ভোলা, শিরোনাম

চরফ্যাশন প্রতিনিধি  ::
চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানা পুলিশ মানছেনা স্বাস্থ্য বিধি। দু’গাঁজারুকে রাতের আঁধারে সরকারি স্কুল থেকে আটক করে একজনকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে শশীভূষণ থানার ওসি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, শশীভূষণ থানার এস আই নুরে আলম, এ এস এস দুলাল ও নুরুল ইসলাম ফোর্স নিয়ে শনিবার রাতে পৌনে ১২টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শশীভূষণ বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুলের একটি কক্ষ থেকে ওই স্কুলের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত নৈশ প্রহরী কাম অফিস সহায়ক আমির হোসেন ও স্থায়ী ৩নং ওয়ার্ডের আক্তার হোসেনকে ১০গ্রাম গাঁজাসহ আটক করেছে। রাতে ২৫হাজার টাকা বিনিময়ে আমির হোসেনকে ছেড়ে দিয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। বাকী আসামী আক্তার হোসেনকে পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দেয়া হয়।

রবিবারে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। স্থানীয় নাম প্রকাশ না করা শর্তে জণৈক ব্যক্তি বলেন, স্কুলের গেইট লক করে একটি কক্ষে আমির হোসেনের নেতৃত্বে গাঁজার আসর বসে। এই ব্যপারে শশীভূষন থানার এস আই নুরে আলম বলেন, আমাদেরকে দেখে তারা ১০ গাঁজা ফেলে দেয়। তাদের দু‘জনকে থানা আনা হয়েছে।

এদিকে করোনার মধ্যে শশীভূষণ থানার এ এস আই নুরুল ইসলাম মাস্ক ছাড়া ছবি করেছে। যে খানে সরকার করোনার বিষয়ে মাস্ককের ব্যপারে কঠোর রয়েছে সেখানে পুলিশও মাস্ক বিহীন মাদক আসামীর সাথে ছবি তোলা হচ্ছে। ওসির দাবী করোনা কমে যাওয়ায় এখন মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছেনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ আলী বলেন, আমার বিদ্যালয়ের ণৈশপ্রহরী আমির হোসেনের ব্যপারে শিক্ষা অফিসের ক্লাষ্টার এটিওকে জানানো হয়েছে।

চরফ্যাশন সহকারী শিক্ষা অফিসার(ক্লাস্টার এটিও) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এসে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শশীভূষণ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, দু‘জনকে আটক করা হয়েছে একজনের কাছে গাঁজা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

শশীভূষণ বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ণৈশ প্রহরী কাম অফিস সহায়ক আমির হোসেন বলেন, আমাকে রাতে পুলিশ থানা নিয়েছে মাদক মামলার স্বাক্ষী হিসাবে রাখা হয়েছে।