• ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২০শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

খোলার আগেই ভেঙে পড়ল নির্মাণাধীন স্কুলভবনের ছাদ

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১, ২৩:২৩ অপরাহ্ণ
খোলার আগেই ভেঙে পড়ল নির্মাণাধীন স্কুলভবনের ছাদ

বিডি ক্রাইম ডেস্ক, বরিশাল: করোনা মহামারীতে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার দেশব্যাপী খুলে দেয়া হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্কুল খোলার এক দিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একটি স্কুলের নবনির্মিত ভবনের চিলেকোঠা ছাদ ধসে পড়েছে।

শনিবার সকালে নাসিরনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাদের সম্পূর্ণ অংশটি ভেঙে যায়। পরে ঠিকাদারের লোকজন সকাল থেকেই তড়িঘড়ি করে ধসে পড়ার নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেয়।

নাসিরনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার দাস অভিযোগ করে বলেন, কাউকে না জানিয়ে ঠিকাদার ভবনের ছাদ ঢালাই শুরু করেন।

ঠিকাদার কাজের শুরু থেকেই কাজ নিয়ে তালবাহানা করে আসছিলেন। কাজের পরিকল্পনা ও নকশা চাইলেও ঠিকাদার দেননি। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাউকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাই করার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে মৌখিকভাবে অভিযোগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের অধীনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে নাসিরনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়।

একতলা থেকে তিনতলা করতে স্কুলটি নির্মাণের ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৭০ লাখ টাকা। জমির-জুলিয়া ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই নির্মাণকাজটি করছেন। গত দুই সপ্তাহ আগে স্কুল ভবনের ছাদের ঢালাই দেয়া হয়।

ঠিকাদার মো: নিক্সন ইঞ্জিনিয়ার অফিসের কাউকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাই করার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে ছাদটি ভেঙে নতুনভাবে করার জন্য একটি চিঠি দেয়া হয়েছিল।

বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা প্রকৌশলী মো: ইসহাক মিয়া জানান, আমাদের না জানিয়ে ঠিকাদার ছাদের ঢালাই করে। পরে উপজেলা প্রকৌশলী ঠিকাদারকে ছাদ ভেঙে নতুনভাবে করার নির্দেশ প্রদান করে চিঠি দিয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো: সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি। ছাদ ধসের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হালিমা খাতুন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাদটি ভেঙে নতুনভাবে করতে ঠিকাদারকে বলেছি।