• ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

জেনারেল হাসপাতালে চক্ষু সেবা থেকে বঞ্চিত লাখো মানুষ মিলছেনা চিকিৎসক

বিডিক্রাইম
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১৮:৩৩ অপরাহ্ণ
জেনারেল হাসপাতালে   চক্ষু সেবা থেকে বঞ্চিত লাখো মানুষ মিলছেনা  চিকিৎসক
এম এম আল মামুন : উত্তরের  জেলা কুড়িগ্রাম ১৬ টি নদ-নদী বেষ্টিত এ জেলায় রয়েছে প্রায় সাড়ে  চার শতাধিক চরাঞ্চল। দারিদ্র্যপীড়িত এ অঞ্চলের ২৪ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। অথচ এই সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ চার বছর ধরে নেই চক্ষু চিকিৎসক। চিকিৎসকের অভাবে সরকারি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরা।
উপায়ান্তর না পেয়ে চোখের চিকিৎসা নিতে যেতে হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল অথবা বিভাগীয় শহর রংপুরে। ফলে দারিদ্র্যপীড়িত এ অঞ্চলের মানুষের চোখের চিকিৎসায় গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এমন পরিস্থিতিতে চক্ষু চিকিৎসক সংকটে দ্রুত সমাধান চান রোগী ও স্বজনরা।
জানা গেছে, হাসপাতালটিতে বছরের পর বছর ধরে চলছে চিকিৎসক সংকট। পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় ২৪ লাখ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ ৬ পদে চিকিৎসক নেই। অর্থোপেডিক্স ও মেডিসিন চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র একজন করে। জেলার বৃহত্তম হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছে জনসাধারণ।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে চিকিৎসকের চাহিদা প্রতিবছর পাঠানো হলেও কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট দূর হচ্ছে না।
রোগী মো. শাহাজাহান আলী বলেন, আমার চোখে ছানি পড়া রোগ। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চোখের অপারেশন করেছি। আমরা গরিব মানুষ। গরু বিক্রি করে বেসরকারি হাসপাতালে চোখের চিকিৎসা নিয়েছি। হাসপাতালে থাকা খাওয়ায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই হাসপাতালে যদি একজন চোখের চিকিৎসক থাকতো তাহলে আমাদের এমন দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।
চোখের সমস্যা নিয়ে আসা মোছা. কল্পনা খাতুন বলেন, কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চোখের চিকিৎসা নিতে এসেছি। গত তিনদিন ধরে চোখে তীব্র ব্যথা, এখানে চোখের ডাক্তার নেই। চোখের চিকিৎসা নিতে রংপুরে যেতে হচ্ছে। বাড়ির পাশে এত বড় হাসপাতাল, অথচ চোখের চিকিৎসার জন্য একজন ডাক্তারও নেই।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মো. শাহীনুর রহমান সর্দার (শিপন) বলেন, জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘ চার বছর ধরে চক্ষু চিকিৎসক নেই। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চক্ষু চিকিৎসকের চাহিদা পাঠিয়েছি। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।