• বরিশাল, আজ রবিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

কল্যাণের নামে কোন চাঁদা বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না : পুলিশ কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার বলেছেন- এই মুহুর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো করোনা যুদ্ধ, টিকা আসার আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ যুদ্ধে টিকে থাকতে হবে। টিকা আসার আগে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজারই টিকা। গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলোর মানুষ যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তাহলে, বাকিদের সুরক্ষা সহজ। পরিবহন সেক্টরের প্রত্যেকে একেকজন যোদ্ধা, সৈনিক হিসেবে নিজেকে সুস্থ রেখে যাত্রীদের দূরত্ব- মাস্ক নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। মনে রাখতে হবে আপনি আক্রান্ত হলে পরিবার সহ আরও পাঁচজন আক্রান্ত হবে, পর্যায়ক্রমে সবাই আক্রান্ত হবে। তাই এ যুদ্ধ শুধু একার বিষয় নয়, সবার অবশ্যই পালন করতে হবে নয়তো অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে, দেশ পিছিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে কোভিড- ১৯ (করোনা ভাইরাস) প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার, পরিবহন সেক্টর চাইলে দেশের বৃহৎ অংশ সুরক্ষিত রাখতে পারে। একটি মাস্ক প্রায় ৮০% জনগণকে সুরক্ষা দিবে। সুতরাং মাস্ক সঠিক ভাবে নিজে পড়তে হবে যাত্রীদেরকে মাস্ক পড়িয়ে গাড়িতে উঠাতে হবে।
যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ -পরিবহনে কর্তৃপক্ষের মাঝে একটা নিবিড় জনকল্যাণকর সম্পর্ক থাকবে। কল্যাণের নামে অগ্রহণযোগ্য কোন চাঁদা বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আপনাদের আরও নির্ভেজাল পুলিশি সেবা দিতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান রেখেছি। যাবতীয় অনিয়ম বন্ধে আমাদের ইন্টেলিজেন্স কাজ করছে, সত্যিকারের আস্থার পুলিশি সেবার বাহিরে কোন আধিপত্য চলবে না।

তিনি আরও বলেন, কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন প্রকার অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে আমাকে জানাবেন। যে কোন ঘটনা ঘটার সাথে সাথে আমাদের গোপনে বা প্রকাশ্যে জানাবেন। সবাই এক হয়ে কাজ করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটি নিরাপদ পরিবহন সেবা উপহার দেয়া সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম বলেন, পরিবহন শ্রমিক ভাইয়েরা দেশের ক্রান্তিকালেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৃহৎ সেবা দিয়ে থাকেন। তবে নিজেকে সতর্ক রাখলেই হবে না, যাত্রীদেরও সচেতন করতে হবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি মহোদয় নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে বিভিন্ন পরিবহনে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগানযুক্ত স্টিকার স্থাপন করেন।

সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম বার, অতিরিক্ত উপর পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) মোঃ আকরামুল হাসান সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ।