আমতলী প্রতিনিধি॥ পটুয়াখালী–কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘটখালী এলাকায় ডাকাতি শেষে পালানোর সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে ডাকাত সদস্যরা।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের হাজারটাকার বাঁধ এলাকায় জনতা তাদের একজনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
আমতলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার গভীর রাতে ঘটখালীর বিএম অটো গ্যাস পাম্পের পাশে মঞ্জু গাজীর মেশিনারিজ দোকানে পিক আপযোগে আসা ৭–৮ সদস্যের ডাকাতদল ডাকাতি চালায়।
খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ধাওয়া করলে ডাকাতদল পালিয়ে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে ঢুকে পড়ে। খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ একজনকে আটক করে। পরে ডাকাত দলটি আবার পাল্টা পথে আমতলীর দিকে ফিরলে পুলিশ পুনরায় ধাওয়া দেয়।
ধাওয়া খেয়ে ডাকাতদল আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের হাজার টাকার বাঁধ এলাকায় পিকআপ গাড়িটি ফেলে রেখে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় স্থানীয় জনতা আমিরুল ইসলাম (৪০) নামের এক ডাকাতকে আটক করে। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। আটক ডাকাত আমিরুলের বাড়ি পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার রাধানগর গ্রামে। তার বাবা ফোরকান শেখ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডাকাতদল গাড়ি রেখে পালানোর চেষ্টা করলে তারা আমিরুলকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, আমতলী ও মহিপুর থানায় দুইজন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।
তিনি আরও জানান, ঘটখালীর দোকানে ডাকাতির সময় টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা দুই দিকেই পালানোর চেষ্টা করে।
পুলিশ ডাকাতদলের ব্যবহৃত পিকআপ গাড়িটি আটক করেছে এবং অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।